জেলায় জেলায়
ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে টিম অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। ২১জুলাই কোলকাতার রাজপথে নীল
পাঞ্জাবী পড়া একাধিক যুবকরা তারই ইশারা দিয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
বিশেষ করে হুগলি
জেলায় নীল পাঞ্জাবীতে আকৃষ্ট হয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, ২১শে
জুলাই কোলকাতার রাজপথে নীল পাঞ্জাবী পড়ে পথে নামার নির্দেশ দিয়েছিলেন ক্ষোদ
যুবরাজ। সারা বাংলায় এই রকম দুইশো নীল পাঞ্জাবী দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। অবশ্য
সাধারন কর্মীদের জন্যে এই নীল পাঞ্জাবী বরাদ্য ছিলনা।
যুবরাজের বিশেষ কিছু অনুগত ও
বিশ্বস্ত সৈনিকদের জন্যেই এই নীল পাঞ্জাবী বরাদ্য হয়েছিল। যাতে ভিড়ের মধ্যেও
যুবরাজের সৈনিকরা জ্বলজ্বল করতে থাকে। দলীয় সূত্রে অন্তত এমটাই খবর পাওয়া গিয়েছে।
এই নীল পাঞ্জাবী সেই সমস্ত নেতাদের গায়েই উঠেছিল যারা খুব কম হলেও ব্লক স্তরের নেতা। এরপর জেলাস্তর তারপর রাজ্যস্তরের কয়েকজন নেতাদের গায়েও এই নীল পাঞ্জাবী দেখা গিয়েছিল। এমনকি কয়েকজন মন্ত্রীর গায়েও এই নীল পাঞ্জাবী দেখা গিয়েছিল।
এই নীল পাঞ্জাবী সেই সমস্ত নেতাদের গায়েই উঠেছিল যারা খুব কম হলেও ব্লক স্তরের নেতা। এরপর জেলাস্তর তারপর রাজ্যস্তরের কয়েকজন নেতাদের গায়েও এই নীল পাঞ্জাবী দেখা গিয়েছিল। এমনকি কয়েকজন মন্ত্রীর গায়েও এই নীল পাঞ্জাবী দেখা গিয়েছিল।
অভিষেক
বন্দোপাধ্যায় তৃণমূলের যুবর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্য জেলায় তার লবি জোড়ালো
হতে শুরু করেছে। বছর ঘুড়তে না ঘুড়তেই ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে নীল পাঞ্জাবী পড়া কয়েকশো
সৈনিকের এই উপহার গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে তৃণমূলের যুবসমাজের মধ্যে। অন্তত এমটাই
মনে করছেন তৃণমূলের পোড় খাওয়া নেতাদের একাংশ।
যদিও এই পাঞ্জাবী
প্রসঙ্গে জেলা যুব তৃণমূল নেতারা সাফ জানিয়েছেন, এই নীল পাঞ্জাবী পরার মধ্যে কোন
গোষ্ঠীর হয়ে কাজ করাকে ইঙ্গিত করছে না। বরং ওই দিন যারা ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব পালন
করার কাজ করেছেন। তাদেরকেই ওই নীল পাঞ্জাবী দেওয়া হয়েছিল। বিগত বছরেও হলুদ রঙের
পাঞ্জাবী দেওয়া হয়েছিল। পাঞ্জাবীর রঙের সঙ্গে গোষ্ঠীর কোনও সম্পর্ক নেই।








No comments:
Post a Comment