অসময়ে যে সভানেত্রীর পাশে থাকলো, সময়ে সে
আর তাঁকে চিনতে পারল না। কোণঠাসা করলে সংগঠনে সমোলোচনা করার ক্ষমতা বাকিদের নেই। যার
হাত দিয়ে দল তৈরি, কঠিন সময়ও
যিনি মমতার পাশে থেকে সংগঠন সাজিয়েছেন, তাঁর এই
পরিণতিকে পুরনো কর্মীরা ভালো চোখে দেখছেন না।প্রসঙ্গত রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার জন্য
মনোনয়ন জমা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ প্রার্থী। আজ রিটার্নিং অফিসার জয়ন্ত
কোলের কাছে মনোনয়নপত্র পেশ করেন তাঁরা। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে যাঁদের
রাজ্যসভার প্রার্থী করা হয়েছে তাঁরা হলেন, দোলা সেন, সান্তা ছেত্রী, ডেরেক ও ব্রায়েন, মানস ভুঁইঞা ও শুখেন্দুশেখর রায়।
আজ দুপুর ২টো নাগাদ মনোনয়ন পেশ করেন তাঁরা। তৃণমূলের
রাজ্যসভা সাংসদ প্রার্থী তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক মানস ভুঁইঞা। অথচ, সূত্রের খবর, রাজ্যসভাতেও মুকুল রায়ের আর মনোনয়ন দেওয়া হবে না। এতেই উঠছে নানা
প্রশ্ন। মুকুল রায়কে কি শেষমেশ দলের কোণেই? ভবিষ্যৎ
কার্যত নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে মুকুল রায়ের।
(আরও পড়ুনঃ জলমগ্ন এলাকাগুলির রাস্তায় হাঁটলেন বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী লকেট চ্যাটার্জী)
(আরও পড়ুনঃ জলমগ্ন এলাকাগুলির রাস্তায় হাঁটলেন বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী লকেট চ্যাটার্জী)
মুকুল রায় সম্পর্কে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত
নিতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক
বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত হয়ে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি। দলীয় সূত্রে খবর, অভিষেক কোনও অবস্থায় নরম হতে চাইছেন না।
সূত্রটি জানাচ্ছে, দল মুকুলের
বিরুদ্ধে এখনই কোনও ব্যবস্থা নেবে না। রুটিনমাফিক সম্পর্ক থাকবে।কিন্তু দূরত্ব
বজায় রাখবে।
সূত্রের খবর, ধর্মতলার সভার পর থেকে মুকুলশিবিরও ক্ষুব্ধ, অপমানিত। ফেসবুকেও তার প্রতিফলন। মুকুলকে
বহু নেতা ও কর্মীর সঙ্গে মুকুলের যোগাযোগ হচ্ছে।কিন্ত এ বিষয়ে কিছু বলার সাহস
কারোর নেই।

No comments:
Post a Comment