পায়েল দেব: ১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল তবে এই ভারতবর্ষের স্বাধীনের সঙ্গে সঙ্গে ভারত পাকিস্তানও আলাদা দুটো দেশে বিভক্ত হয়েছিল। মুসলমানরা চেয়েছিল পাকিস্তান নামে আলাদা দেশ হোক আবার হিন্দুরা চেয়েছিল হিন্দুস্তান আলাদা থাকুক।বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা গেছে ১৯৪৭ সালে প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু দেশভাগ হোক তা তিনি চেয়েছিলেন। যখন ব্রিটিশরা ভারত ছাড়ার তোড়জোড় করছিল এবং দেশ ছাড়ার জন্য তথ্য ডকুমেন্ট ঠিক করছিল তখন ভিকেরয় নামে ব্রিটিশ সরকার জহরলাল নেহেরু, গান্ধীজিদের নিয়ে বৈঠক করেন। তবে সেই বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী কখনই রাজি হননি দেশকে ভাগ করতে, কিন্ত জহরলাল নেহেরু ও অন্যান্য ব্রিটিশ আধিকারিকদের পরিকল্পনায় দেশ ভাগ করতে বাধ্য হন ভিকেরয়। তার জন্য লন্ডন গিয়ে সরকারি নির্দেশ নিয়ে ১৯৪৭ সালে ১৫ই আগস্ট মধ্যরাতে ভারত ও পাকিস্তানকে ভাগ করে দেয়। সেইসময় মুসলমান সকলকে পাঠিয়ে দেয় লাহোর এবং হিন্দুস্তানে হিন্দুদের মর্মান্তিক অবস্থা দেখতে পাওয়া যায়।
প্রসঙ্গত পাঞ্জাব,লাহোর, মুম্বই,দিল্লি সর্বত্র জায়গায় দাঙ্গা হওয়ার ফলে দেশভাগের মতন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয় ব্রিটিশ আধিকারিকদের। পাশাপাশি দেশভাগের সময়ও হিন্দুদের উপর অত্যাচার ক্রমশ কমে যায়নি। যে অংশ টুকু পাকিস্তানের মধ্যে পড়েছিল সেখানে হিন্দুদের ভিটেবাড়িও ছিল। আর দেশ বিভক্ত হওয়ার সময় হিন্দুদের পরিবারকে আনতে গেলে ফের শুরু হয়ে যায় দাঙ্গা। মারা যায় সহস্র নিরীহ মানুষ। তবে এখন পাঠকদের কাছে প্রশ্ন দেশভাগের মতন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কি ঠিক হয়েছিল জহরলাল নেহেরুর? নাকি এর পিছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র লুকিয়ে ছিল কংগ্রেসের?



No comments:
Post a Comment