বিজেপির এক কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে চুঁচুড়া থানার কাজীডাঙ্গা জোড়া অশস্থতলা এলাকায়।
আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মীর নাম বিক্রম দাস। বাড়ি চুঁচুড়া থানার কাজীডাঙ্গা জোড়া
অশস্থতলা এলাকাতেই। তিনি দেবানন্দপুর অঞ্চলের বিজেপির সভাপতি। এই ঘটনায় ওই এলাকায়
চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয়
সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে চুঁচুড়ায় বালিকাকে ধর্ষনের ঘটনায় বালিকার
পরিবারের সদস্যদের সাহাজ্য করার অপরাধে ওই এলাকার তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা ওই
এলাকার বিজেপি কর্মীর বাড়িতে স্বশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়িতে ঢুকে
দরজায় লাথি মেরে প্রান নাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই
ঘটনাস্থলে হাজির হয় চুঁচুড়া থানার পুলিশ। পুলিশ দেখে দুষ্কৃতীরা সরে পরে। শনিবার
সকালে এই ঘটনায় ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে বিজেপির নেতা
কর্মীরা চুঁচুড়া থানায় বিক্ষোভ দেখিয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
প্রসঙ্গত, ৮ আগষ্ট রাতে এক বালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ
উঠে প্রতিবেশি এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই এলাকার বিজেপির নেতা কর্মীরা ধর্ষিতার
পরিবারকে আইনী সাহাজ্য পেতে সহযোগীতা করেন। এই ঘটনায় ওই এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব
বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে ধর্ষিতার পরিবারটিকে বিষয়টি মিটমাট করে নেবার জন্যে অনুরোধ
করেন বলে অভিযোগ। আগ বাড়িয়ে ধর্ষিতার পরিবারকে সাহাজ্য করার অপরাধে ওই এলাকার ওই
বিজেপির নেতার বাড়িতে চড়াও হন তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এই
প্রসঙ্গে বিজেপির হুগলি মণ্ডলের যুবমোর্চার সভাপতি বাপন হাজরা বলেন, একদিকে
মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রী নিয়ে গলা ফাটাচ্ছে। অপরদিকে রাজ্যের বিভিন্য প্রান্তে
ধর্ষনশ্রীর মতন ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনায় আমরা তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। এই বিষয়ে
চুঁচুড়া মগরা ব্লকের তৃণমূলের যুব সভাপিতি তাপস চক্রবর্তী বলেন, হামলার অভিযোগ
সম্পূর্ন মিথ্যা। বিজেপি ধর্ষন নিয়ে রাজনিতী করছে। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক
নেই।


No comments:
Post a Comment