বিধায়িকা ভাগ্নির সংগে মামার ভোটযুদ্ধে লড়াই তাই হলদিয়া পৌরসভার ২৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮ নং ওয়ার্ডের দিকে এখন রাজনৈতিক মহলের পাখির নজর। হলদিয়া বিধানসভার বিধায়িকা তাপসী মন্ডল ২০১৫ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে সিপিএমের প্রার্থী হয়ে। পাশাপাশি ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলারও ছিলেন তিনি। বিন্যাসের পর এই ৭ নং ওয়ার্ডটি এখন ৮ নং ওয়ার্ড হয়েছে। সেই ওয়ার্ডে এবারেও সিপিএম প্রার্থী হয়েছে বর্তমান বিধায়িকা তাপসী মন্ডল অন্যদিকে তারই প্রতিপক্ষ নিজের মামা প্রশান্ত মন্ডল এবারে তৃনমূল প্রার্থী। তাই এলাকায় জমে উঠেছে ভোটযুদ্ধ। ভাগ্নি তাপসী মন্ডল রাজনীতিতে বেশ পুরনো কিন্তু মামা প্রশান্ত দাসও কমন যাননা ২০০২ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত হলদিয়া পৌরসভার সিপিএমের কাউন্সিলার ছিলেন। তারপর নানা কারনে নিজেকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে নেন। আবার রাজনীতিতে ফিরে আসা এবারে ৮ নং ওয়ার্ডে তৃনমূলের প্রার্থী তিনি। এই ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৪২৪৭ জন। দেওয়াল লিখন মিটিং মিছিল সব কিছুতেই তৃনমূল এগিয়ে। সকাল থেকেই প্রশান্ত বাবু কর্মীদের সংগে নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার সারেন। তৃনমূল প্রার্থীকে প্রচারের ময়দানে দেখা গেলেও চোখে পড়েনি বিরোধীদের দেওয়াল লিখন কিংবা প্রচার। এখানে সিপিএম,বিজেপি ও তৃনমূলের প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াই তৃনমূল ও সিপিএমের সংগে অর্থাৎ মামা ভাগ্নির লড়াই। সাধারন মানুষ যাই বলুক না কেন তবে এই লড়াইকে মামা ভাগ্নির লড়াই মানতে নারাজ দুই প্রার্থী। তাদের বক্তব্য এটা পারিবারিক লড়াই নয় দুটি দলের নীতিগত লড়াই। ভাগ্নি সিপিএম প্রার্থী তথা বিধায়িকা তাপসী মন্ডল বলেন, মামার সংগে পারিবারিক সম্পর্ক ঠিক আছে পরেও থাকবে শুধু ভোটে দুজনে দুটি দলের হয়ে লড়াই করছি। তাঁর অভিযোগ তৃনমূল মামাকে ভয় দেখিয়ে প্রার্থী করেছে এবং কর্মীরা আমাদের প্রচারে বাধ দিচ্ছে। অন্যদিকে মামা প্রশান্ত দাস বলেন, আমি মানুষের সেবা করতে চাই তাই প্রার্থী হয়েছি। তাছাড়া পারিবারিক সম্পর্ক রাজনীতির উপর কোন প্রভাব পড়বে না। নাম না করে ভাগ্নির দিকেই আংগুল তুললেন প্রশান্ত বাবু। পাঁচ বছরে এলাকায় কোন উন্নয়ন করেন নি আগের কাউন্সিলার এলাকায় মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। আগামী দিনে এলাকার মানুষ যে সব পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে তা দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান প্রশান্ত বাবু। ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পাশাপাশি হলদিয়ার মানুষের নজর এখন মামা ভাগ্নির লড়াইয়ের দিকে ১৭ আগষ্ট ফলাফলের দিন কার মুখে হাঁসি ফুটে সেটাই দেখার।
বিধায়িকা ভাগ্নির সংগে মামার ভোটযুদ্ধে লড়াই তাই হলদিয়া পৌরসভার ২৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮ নং ওয়ার্ডের দিকে এখন রাজনৈতিক মহলের পাখির নজর। হলদিয়া বিধানসভার বিধায়িকা তাপসী মন্ডল ২০১৫ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে সিপিএমের প্রার্থী হয়ে। পাশাপাশি ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলারও ছিলেন তিনি। বিন্যাসের পর এই ৭ নং ওয়ার্ডটি এখন ৮ নং ওয়ার্ড হয়েছে। সেই ওয়ার্ডে এবারেও সিপিএম প্রার্থী হয়েছে বর্তমান বিধায়িকা তাপসী মন্ডল অন্যদিকে তারই প্রতিপক্ষ নিজের মামা প্রশান্ত মন্ডল এবারে তৃনমূল প্রার্থী। তাই এলাকায় জমে উঠেছে ভোটযুদ্ধ। ভাগ্নি তাপসী মন্ডল রাজনীতিতে বেশ পুরনো কিন্তু মামা প্রশান্ত দাসও কমন যাননা ২০০২ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত হলদিয়া পৌরসভার সিপিএমের কাউন্সিলার ছিলেন। তারপর নানা কারনে নিজেকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে নেন। আবার রাজনীতিতে ফিরে আসা এবারে ৮ নং ওয়ার্ডে তৃনমূলের প্রার্থী তিনি। এই ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৪২৪৭ জন। দেওয়াল লিখন মিটিং মিছিল সব কিছুতেই তৃনমূল এগিয়ে। সকাল থেকেই প্রশান্ত বাবু কর্মীদের সংগে নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার সারেন। তৃনমূল প্রার্থীকে প্রচারের ময়দানে দেখা গেলেও চোখে পড়েনি বিরোধীদের দেওয়াল লিখন কিংবা প্রচার। এখানে সিপিএম,বিজেপি ও তৃনমূলের প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াই তৃনমূল ও সিপিএমের সংগে অর্থাৎ মামা ভাগ্নির লড়াই। সাধারন মানুষ যাই বলুক না কেন তবে এই লড়াইকে মামা ভাগ্নির লড়াই মানতে নারাজ দুই প্রার্থী। তাদের বক্তব্য এটা পারিবারিক লড়াই নয় দুটি দলের নীতিগত লড়াই। ভাগ্নি সিপিএম প্রার্থী তথা বিধায়িকা তাপসী মন্ডল বলেন, মামার সংগে পারিবারিক সম্পর্ক ঠিক আছে পরেও থাকবে শুধু ভোটে দুজনে দুটি দলের হয়ে লড়াই করছি। তাঁর অভিযোগ তৃনমূল মামাকে ভয় দেখিয়ে প্রার্থী করেছে এবং কর্মীরা আমাদের প্রচারে বাধ দিচ্ছে। অন্যদিকে মামা প্রশান্ত দাস বলেন, আমি মানুষের সেবা করতে চাই তাই প্রার্থী হয়েছি। তাছাড়া পারিবারিক সম্পর্ক রাজনীতির উপর কোন প্রভাব পড়বে না। নাম না করে ভাগ্নির দিকেই আংগুল তুললেন প্রশান্ত বাবু। পাঁচ বছরে এলাকায় কোন উন্নয়ন করেন নি আগের কাউন্সিলার এলাকায় মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। আগামী দিনে এলাকার মানুষ যে সব পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে তা দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান প্রশান্ত বাবু। ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পাশাপাশি হলদিয়ার মানুষের নজর এখন মামা ভাগ্নির লড়াইয়ের দিকে ১৭ আগষ্ট ফলাফলের দিন কার মুখে হাঁসি ফুটে সেটাই দেখার।

No comments:
Post a Comment