ভিডিওতে দেখুন চুঁচুড়ার কলেজে এক শিক্ষক ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণে মগ্ন - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 8 August 2017

ভিডিওতে দেখুন চুঁচুড়ার কলেজে এক শিক্ষক ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণে মগ্ন



শিক্ষকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষক বহিরাগত দুষ্কৃতীদের এনে পড়ুয়াদের মারধোরের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে চুঁচুড়ার আইটিআই কলেজে। এই ঘটনায় কলেজ চত্তরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে চুঁচুড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই আইটিআই কলেজের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের এক শিক্ষক ওই বিভাগেরই এক ছাত্রীকে কয়েক দিন আগে কু-প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাটি ওই ছাত্রী কলেজ কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানান। এই ঘটনায় অভিযোগটি তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ওই ছাত্রীকে চাপ দিতে থাকেন। এদিন সেটা চরম পর্যায়ে পৌছে যায়।

কলেজের পড়ুয়ারা বলেন, জুলাই মাসের ২০ তারিখ তাদের পরীক্ষা শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এদিন পুনরায় পরীক্ষা হবে বলে তাদেরকে ফোন করে ডাকা হয়। সেটা জানতেই এদিন আমরা কলেজে এসেছি। কলেজে এসে তারা কলেজের অফিসিয়াল নোটিস ছাড়া পরীক্ষা দিতে অস্বীকার করেন।এই নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের সঙ্গে তাদের বচসা শুরু হয়। এরপরই অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে যান। মিনিট দশেক পর তিনি ফিরে এসে বলেন, সকলে নিচে চলো লোক এসেছে। এই কথা শুনে কয়েকজন নিচে আসতেই দেখতে পান বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র সহ নিচে দাড়িয়ে রয়েছে। এরপর ওই দুষ্কৃতীরা ছাত্রদের মারধর করে বলে অভিযোগ। নিরাপত্তা রক্ষীদেরও মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে বেগতিক বুঝে ওই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। ওই দুষ্কৃতীদের সঙ্গে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকও চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে টিএমসিপির জেলা সম্পাদিকা প্রিয়াঙ্কা অধিকারী বলে,লিখিত ভাবে জানান। এই ঘটনায় অভিযোগটি তুলে নিতে বিভিন্নভাবে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ওই ছাত্রীকে চাপ দিতে থাকেন। এদিন সেটা চরম পর্যায়ে পৌছে যায়।
কলেজের পড়ুয়ারা বলেন, জুলাই মাসের ২০ তারিখ তাদের পরীক্ষা শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এদিন পুনরায় পরীক্ষা হবে বলে তাদেরকে ফোন করে ডাকা হয়। সেটা জানতেই এদিন আমরা কলেজে এসেছি। কলেজে এসে তারা কলেজের অফিসিয়াল নোটিস ছাড়া পরীক্ষা দিতে অস্বীকার করেন।এই নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের সঙ্গে তাদের বচসা শুরু হয়। এরপরই অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে যান। মিনিট দশেক পর তিনি ফিরে এসে বলেন, সকলে নিচে চলো লোক এসছে। এই কথা শুনে কয়েকজন নিচে আসতেই দেখতে পান বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র সহ নিচে দাড়িয়ে রয়েছে। এরপর ওই দুষ্কৃতীরা ছাত্রদের মারধর করে বলে অভিযোগ। নিরাপত্তা রক্ষীদেরও মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র  ঠেকিয়ে ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ছাত্র-ছাত্রীরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে বেগতিক বুঝে ওই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। ওই দুষ্কৃতীদের সঙ্গে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকও চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে টিএমসিপির জেলা সম্পাদিকা প্রিয়াঙ্কা অধিকারী বলেন, বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করতে কলেজের সুপারকে অনুরোধ করেছি। পুলিশ জানিয়েছে, একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad