নিজস্ব প্রতিনিধি,৯ই আগস্টঃ পাঁশকুড়া পৌর নির্বাচনে জয় দিলীপের জনসভা।বুধবার পাঁশকুড়ার
জনসভাতে দাঁড়িয়ে জয় বলেন,পাঁশকুড়াতে আসার সময় রাস্তার হাল দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। এখানকার
কাউন্সিলর সব দেখেও কোনো কিছু ঠিক করার চেষ্টা করে না।তিনি অনুষ্ঠানে ঢোকার সময়
কারোর মুখে হাসি দেখেননি।জয় বলেন,এবার আর তৃণমূল না,ভোট দিতে হবে বিজেপিকে,ভারতমাতাকে।তাহলেই সব সমস্যার
সমাধান হবে।জয় এদিন শাসকদলদের নিয়ে মজা করে বলেন, আসন্ন ভোটে বিজেপি প্রার্থীদের
শাসকদল যদি ধমকানো,চমকানোর চেষ্টা করে তাহলে যেন তাদেরকে হেসে তাঁর সিনেমার ডায়লগ 'আই লভ ইউ' বলে দেয়। তাহলেই সব ঠিক
হয়ে যাবে।
পাশাপাশি তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে
বলেন,তৃণমূলের আজ আর জন সমর্থন বলতে কিছু নেই;আছে শুধু হার্মাদবাহিনী,গুন্ডাবাহিনী
আর ভাড়া করা কিছু পুলিশ।যখন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি যেত তখন পিছনে নেতা-মন্ত্রীদের
গাড়ি লাইন ধরে যেত।কিন্তু আজকাল তা আর দেখা যায় না কারণ হল সব নেতা-মন্ত্রীরা এখন
বিজেপিতে আসার জন্য দিল্লীতে লাইন লাগিয়েছে।ফলে তৃণমূল আর বেশি দিন নেই।জয় আরও
বলেন,যারা হাওয়াই চপ্পল পরে ঘুরত তারা এখন ব্রাথরুমেও এসি লাগিয়ে ফেলেছে।২০১১
সালের আগে দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)বলতেন কমরেডরা একটা বিড়ি তিন বার টানেন।কমরেডরা ৩৪ বছর ধরে পকেট ফাঁক করেছি,আর দিদির চ্যালারা ৩৪ মাস ধরে পকেট ফাঁক করেছে,দাবি জয়ের। দিদি
বলতেন তিনি সোনার বাংলা করবেন কিন্তু সোনার বাংলার বদলে হয়েছে সন্ত্রাসের বাংলা।নজরুলের
বাংলার নামে নেতাদের নোট কামানোর বাংলা হল,বেকার থাকবে না শিল্পের বাংলা গড়ে দেব
কিন্তু তা না হয়ে হয়ে গেল সিন্ডিকেটের বাংলা।
পাশাপাশি
দিলীপ ঘোষ বলেন,আসন্ন পুরসভা ভোটে জনগণ ভাবছে ঠিক ঠাক ভোটটা দিতে পারব তো!কেন ভাবছে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সন্ত্রাসের ফলে।পাঁশকুড়া মিছিল নিয়ে আসার সময় রাস্তার গর্ত
দেখে দেখে আসতে হয়েছে,মানুষকেও দেখতে পারিনি কারণ মানুষকে দেখতে গেলে পড়তে হবে
সোজা গর্তে।তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা এখানে থাকলেও তারা কাজের কাজ কিছু করছেন না।যার
ফলে রাস্তার এই বেহাল অবস্থা।তিনি বলেন,এক পরিবারের সবাই নেতা-নেত্রী হচ্ছেন।খুবই
আশ্চর্য।৯ কোটি লোকের মধ্যে কারোর যোগ্যতা নেই শুধু যোগ্যতা তৃণমূলের
নেতা-নেত্রী-মন্ত্রীর পরিবারের লোকেদের।
No comments:
Post a Comment