যদি একই ইস্যুতে তন্ময় মণ্ডলকে বহিষ্কার করা হয়, তাহলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এখনও কোনও ব্যবস্থা কেন নিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে কি কেবল ভাইপো বলেই সমস্ত তদন্তের থেকে দূরে থাকবেন তিনি? এবার ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন রাজারহাটের বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক তন্ময় মণ্ডলের ঘনিষ্ঠরা।
রাজারহাটে বৈদিক ভিলেজের মালিক রাজকিশোর মোদির মতো জমি-হাঙরদের সঙ্গে সখ্যতা থাকার ‘গুরুতর অপরাধে’ ২০০৯ সালে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করেছিলেন সেদিনের স্থানীয় বিধায়ক তন্ময় মণ্ডল, সুখেন চক্রবর্তী এবং শঙ্করনারায়ণ দত্তকে।
সিপিএমের প্রতাপশালী নেতা রবীন মণ্ডলকে ভরা বাম-আমলে, ২০০৬ সালে হারিয়ে রাজারহাটের বিধায়ক হয়েছিলেন তৃণমূলের তন্ময় মণ্ডল। সে সময় তন্ময়কে ‘জায়েন্ট-কিলার’ বলে চিহ্নিতও করেছিল সংবাদমাধ্যম। কিন্তু ‘দুর্নীতির প্রশ্নে আপোস’ না করে এই তন্ময়কেই দল থেকে বহিষ্কার করে দেন মমতা। রাজারহাটে কৃষকদের স্বার্থে সভা করেন মমতা।
রাজকিশোর মোদির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে তন্ময় মণ্ডলকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিলেন মমতা। সেই তন্ময়-ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছেন, ‘রাজকিশোর মোদির সংস্থা কমিশন দিচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থাকে। তাহলে আজ কেন দিদি সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কার করবেন না?’ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা।

No comments:
Post a Comment