নিজস্ব প্রতিনিধি, ২৫ সেপ্টেম্বর: মুকুল রায়ের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার পর তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। আর এরপরই শাসকদলের বিরুদ্ধে চারা দিয়ে উঠে বিরোধীরা।সোমবার পূর্ব বর্ধমানের কুকসিমলা বাজারের এক গেরুয়া শিবিরে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ পঞ্চমী আর আজ থেকেই দেবী দূর্গার আগমন শুরু হয়েছে এবং তৃণমূলের বিসর্জনের ঘন্টা বেজে গেছে। জয় নাম না করে মুকুল রায়ের বহিষ্কারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন এই মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূলের জন্মের সময় থেকে। তিনি একমাত্র কর্মী ছিলেন যিনি অন্যান্য কর্মীদের খেয়াল রাখতেন, তারা খেয়েছেন কিনা সব ঠিক ঠাক আছে কিনা সব কিছুর খোঁজ রাখতেন। বরং তাকেই আজ বাদ দিয়ে দিল তাঁরা দল থেকে। জয় মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, তিনি নাকি পশ্চিমবঙ্গকে লন্ডন করবেন কিন্ত তিনি লন্ডন কিভাবে করবেন?পশ্চিমবঙ্গ তো চোরে ভরা, সিন্ডিকেটে ভরা, তোলাবাজিতে ভরা। এদিন তিনি বলেন, একমাত্র বিজেপি দলই যার কোনো দুর্নীতি নেই, যার গন্ধ নেই। তাই জনপ্রিয় অভিনেতা তথা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো পুলিশ, কোনও গার্ড লাগে না।কিন্ত তৃণমূলের পুলিশ প্রশাসন সঙ্গে লাগে কারণ তাঁরা দুর্নীতিতে ভরা,তাদের পিছনে গন্ধ রয়েছে।তিনি বলেন, এরপর থেকে তৃণমূলকে মানুষ দেখলে বলবে তৃণমূল ঘেউ ঘেউ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘেউ ঘেউ।
নিজস্ব প্রতিনিধি, ২৫ সেপ্টেম্বর: মুকুল রায়ের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার পর তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। আর এরপরই শাসকদলের বিরুদ্ধে চারা দিয়ে উঠে বিরোধীরা।সোমবার পূর্ব বর্ধমানের কুকসিমলা বাজারের এক গেরুয়া শিবিরে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ পঞ্চমী আর আজ থেকেই দেবী দূর্গার আগমন শুরু হয়েছে এবং তৃণমূলের বিসর্জনের ঘন্টা বেজে গেছে। জয় নাম না করে মুকুল রায়ের বহিষ্কারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন এই মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূলের জন্মের সময় থেকে। তিনি একমাত্র কর্মী ছিলেন যিনি অন্যান্য কর্মীদের খেয়াল রাখতেন, তারা খেয়েছেন কিনা সব ঠিক ঠাক আছে কিনা সব কিছুর খোঁজ রাখতেন। বরং তাকেই আজ বাদ দিয়ে দিল তাঁরা দল থেকে। জয় মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, তিনি নাকি পশ্চিমবঙ্গকে লন্ডন করবেন কিন্ত তিনি লন্ডন কিভাবে করবেন?পশ্চিমবঙ্গ তো চোরে ভরা, সিন্ডিকেটে ভরা, তোলাবাজিতে ভরা। এদিন তিনি বলেন, একমাত্র বিজেপি দলই যার কোনো দুর্নীতি নেই, যার গন্ধ নেই। তাই জনপ্রিয় অভিনেতা তথা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো পুলিশ, কোনও গার্ড লাগে না।কিন্ত তৃণমূলের পুলিশ প্রশাসন সঙ্গে লাগে কারণ তাঁরা দুর্নীতিতে ভরা,তাদের পিছনে গন্ধ রয়েছে।তিনি বলেন, এরপর থেকে তৃণমূলকে মানুষ দেখলে বলবে তৃণমূল ঘেউ ঘেউ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘেউ ঘেউ।
No comments:
Post a Comment