স্নেহাশিস মুখোপাধ্যায়ঃ দিদির লন্ডনের একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পার্ক সার্কাস। নাসিরউদ্দিন শাহ ও ঝাউতলা রোডের সংযোগস্থলে দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে নোংরা আবর্জনা । সাধারণ পথচারিরা ওই রাস্তা দিয়ে যেতে গেলে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে যাচ্ছে । প্রতিনিয়ত স্কুলে যাতায়াতকারী বাচ্চারা ঐ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে অনিহা বোধ করছে . যারা রাস্তায় এই ফুট দিয়ে যাবার কথা তারা বিপরীত ফুট দিয়ে চলাচল করছে। ফলে যে কোনো সময়ে ঘটে যাচ্ছে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা । আবার ওই রাস্তাতেই চলছে ফ্লাই ওভার এর মতো একটি বিশেষ সরকারি প্রোজেক্ট। ফলে তৈরী হয়েছে একটা সরকারের হতশ্রী চেহারা; আর সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তৎক্ষণাৎ আমরা যোগাযোগ করি কে এম সি র ব্যুরো ৭ এর " সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর সান্তনু পুরকায়স্থের সংগে।
মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে এক গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এলাকাবাসীর কাছে তিনি এক নজির সৃষ্টি করেন ,সংগে সংগেই চলে আসে জেসিপি ; যার সাহায্যে দু ট্র্যাক আবর্জনা তোলা হয়। এলাকা হয় আবর্জনা মুক্ত । স্বাভাবিকভাবেই এই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এলাকাবাসী আপ্লুত । এলাকা পরিদর্শন ও কাজ করতে এসে শান্তনু পুরকায়স্থ বলেন " আমাদের শহরকে আমরা ততটাই পরিষ্কার রাখবো আবর্জনা মুক্ত করবো । সাধারণ মানুষ যদি এবিষয়ে সচেতন না হয় আমরা কিছুই করতে পারবো না। আমাদের পক্ষ থেকে এমাইসি দেবব্রত মজুমদারের সংগে যোগাযোগ করলে উনি জানান - " পুরো কলকাতাকে দূষণমুক্ত করতে আমরা বিভিন্ন জায়গায় কম্পাক্টর স্টেশন বসিয়েছি।
ইতিমধ্যে অধিকাংশ জায়গায় আমরা ওপেন ভ্যাট বন্ধ করে দিয়েছি । কিন্তু তা সত্বেও দেখা যাচ্ছে স্থানীয় মানুষের সচেতনতার অভাব । নির্দিষ্ট জায়গা থাকা সত্বেও এরা যত্র তত্র ময়লা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে ।এর পরে রয়েছে অবৈধ গাড়ি পার্কিং ,এরপরেও রাতে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলি আবর্জনা নোংরা জঞ্জাল শহরের বিভিন্নপ্রান্তে ফেলে যাচ্ছে ।
তিনি আরও বলেন, যে ভারতবর্ষে এমন কোন শহর নেই যে শহরে তিন বেলা কাজ চলে। আমরা কলকাতাকে দূষণমুক্ত সুন্দর কলকাতা করার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবে আমরা আজ এ অবস্থায় দাঁড়িয়ে ।



No comments:
Post a Comment