তৃণমূল পার্টি অফিসে ঢুকিয়ে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে শ্লীলতাহানি ও মারধোর করার অভিযোগে গ্রেফতার ডানকুনি তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি সুমিত গাঙ্গুলি সহ আরো দুজন মহিলা তৃনমূল কংগ্রেস কর্মী কাকলি দত্ত ও পূজা বন্দোপাধ্যায়। আক্রান্ত তৃণমূলের ওই মহিলা কর্মীর নাম প্রিয়াঙ্কা দাস। বাড়ি ডানকুনি থানার সুভাষপল্লি এলাকায়। এই ঘটনায় দু-পক্ষই ডানকুনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ, বুধবার রাতে ডানকুনি থানা এলাকার দূর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ডানকুনি চৌমাথায় তৃণমূলের পার্টী অফিসে ডাকে প্রীয়াঙ্কা দাস নামে মহিলা তৃনমূল কংগ্রেস কর্মীকে।পার্টি অফিসের ভিতর সোফার উপর শুইয়ে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধোর করে।
তৃণমূলের ওই আক্রান্ত কর্মী প্রিয়াঙ্কা দাস অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাতে ডানকুনি চৌমাথা এলাকা থেকে তার এক সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ে অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার কয়েকজন মহিলা অনুগামীরা প্রিয়াঙ্কা দাসকে বলেন, সুমিত গাঙ্গুলি তাকে পার্টী অফিসে ডাকছেন। এই কথা শুনে ডানকুনির ওই পার্টী অফিসে যেতেই অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা ওই মহিলা তৃণমূল কর্মীকে পার্টী অফিসে ঢুকিয়ে শ্লীলতাহানি ও মারধোর করে। মারধোরের সময় অভিযুক্ত ঐ দুই মহিলা তৃনমূল কর্মী উপস্থিত ছিল। তার চিৎকার শুনে আশপাশ থেকে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। তবে অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা সুমিত গাঙ্গুলি অভিযোগ করে বলেন, ওই মহিলা তৃণমূলের কেউ নন। সে সিপিএমের হার্মাদ। উল্টে তিনি আশপাশ থেকে লোকজন ডেকে এনে আমাকে ও আমার লোকজনকে মারধর করেছে।
ডানকুনি তৃণমূল নেতা সুধীর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছে, দলীয় নেতা সুমিত গাঙ্গুলি ও তার সঙ্গীরা ডানকুনির ওই পার্টি অফিসটাকে সামনে রেখে নানা ধরনের বেআইনি কাজ কর্ম করত।স্থানীয় একটি বিউটি পার্লারে বিনা খরচে নানা পরিষেবা পাওয়ার জন্য পার্লারের।আজকে এই তিন জনকে শ্রিরামপুর আদালতে তোলা হবে ।

No comments:
Post a Comment