জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্নস্থানে আজ ঈদের নামাজ শেষে
প্রতিবাদী জনতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ক্ষুব্ধ মানুষজন
নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়লে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে
পাল্টা জবাব দেয় সরকারি বাহিনী।
শনিবার শ্রীনগর ঈদগাহ এবং উত্তর ও দক্ষিণ কাশ্মিরের বিভিন্ন অংশে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আজ
উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লার সোপর শহরে মার্কাজি জামিয়া মসজিদে ঈদের নামাজ
শেষে হতেই সেখানকার প্রতিবাদী তরুণরা বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ মিছিল বের করার
চেষ্টা করে এবং ইসলামপন্থি ও আজাদির সমর্থনে স্লোগান দিলে পরিস্থিতি
উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এসময় নিরাপত্তা বাহিনী তাদের বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে
সংঘর্ষ হয়।
অন্যদিকে,
হুররিয়াত কনফারেন্সের একাংশের প্রধান সাইইয়েদ আলী শাহ গিলানি ও মীরওয়াইজ
ওমর ফারুককে গৃহবন্দি করা হয়েছে। গিলানি অবশ্য আগে থেকেই গৃহবন্দি রয়েছেন।
গিলানি এ নিয়ে গত ৭ টি ঈদে যোগ দিতে পারলেন না। গতকাল গ্রেফতার হয়েছেন
জেকেএলএফ চেয়ারম্যান ইয়াসীন মালিক। তাকে শ্রীনগর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো
হয়।
গ্রেফতারের
আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্বৈরশাসকও ঈদের প্রাক্কালে লোকেদের কারাগার
থেকে মুক্তি দেয়। কিন্তু নয়া স্বৈরশাসক ও অত্যাচারীরা এই অনুষ্ঠানের মুখে
লোকেদের গ্রেফতার করে খুশি হয়।’
এদিকে, আজ সকালে জম্মু–কাশ্মীরের
কুলগাম জেলার তান্ত্রিপোরার বেহিবাগ এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে
সংঘর্ষে ইশফাক আহমেদ পাদ্দার নামে এক লস্কর ই তাইয়্যেবা গেরিলা নিহত হয়।

No comments:
Post a Comment