দেখুন তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদের মৃত্যু পরবর্তী রাজনীতি এবং খুনের রহস্য ! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 4 September 2017

দেখুন তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদের মৃত্যু পরবর্তী রাজনীতি এবং খুনের রহস্য !








সুলতান আহমেদের মৃত্যুতে নাম না করে সরাসরি বিজেপি ও সিবিআই-কে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতারা। সোমবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর বিভিন্ন মহল থেকে শোকবার্তা ভেসে আসে। এরই মধ্যে তাঁকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে গিয়ে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নাম না করে আক্রমণ করেন সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে যান একাধিক তৃণমূল নেতা। দেখা গেছে নারদকাণ্ডে অভিযুক্ত টাইগার মির্জ়াকেও।তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সি বলেন, “যে কায়দায় কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন সময় সারদা-নারদের নাম করে তাঁকে শারীরিকভাবে অত্যাচার করেছে তাতে তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিলেন। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে কিছু সংবাদমাধ্যমকে সঙ্গী করে গত সাত-আট মাস ধরে কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দল তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করছিল। এর ফলে তিনি পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছিলেন। একজন রাজনীতিবিদকে তাঁর ক্যারিয়ার তৈরি করতে ৪০ বছর সময় লাগে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ৪০ সেকেন্ডে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে। একটা তদন্তের নাম করে দীর্ঘদিন ধরে হেনস্থা করার ফলে তিনি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া তৃণমূলের কাছে একটা বড় ক্ষতি।”

কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, আজকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিন সুলতান আহমেদের বিরোধীতা করে ফাঁসি নিতে চেয়েছিলেন।

 আর বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন,
“সুলতান আহমেদের মৃতদেহের পোস্টমর্টেম হওয়া উচিত। তাঁকে চক্রান্ত করে মারা হয়েছে। নারদ চাপা দেওয়ার জন্য। যদি সাহস থাকে তো কবর দেওয়ার আগে পোস্টমর্টেম করুন।” আজ হাওড়ার বাউড়িয়ায় একটি দলীয় সভা থেকে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad