এথোড়া মুখার্জির পরিবারের পুজো ৪০০ বছরে পড়ল।পুজোর ১৫ দিন আগে থেকেই মা দুর্গার বোধন হয়। আর তখন থেকেই উৎসব শুরু হয় যায় গ্রামে। ৪০০ বছর ধরে এরকমই পুজো হয়ে আসছে আসানসোলে এথোড়া গ্রামের মুখার্জির পরিবারে। দোর গোড়ায় শারদ উৎসব। তাই একদিকে কাশ ফুল জানান দিচ্ছে পুজো আসছে তেমনি মুখার্জি পরিবারের পুজোর প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে।এমনিতে ষষ্ঠীতে মায়ের বোধন হয়। কিন্তু এই এথোড়া গ্রামের পুজোর ১৫ দিন আগে ছাগ বলির মাধ্যমে মা দুর্গার বোধন হয়। এই বোধনের পরেই উৎসবের আমেজ শুরু হয়ে যায় গোটা এথোড়া গ্রামে। এর পাশাপাশি এই পুজোর আরও বৈশিষ্ট্য হল তাল পাতার পুঁথিতে লেখা মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে এই পুজো হয়। কথিত আছে ৪০০ বছর আগে মুখার্জি পরিবারের পূর্ব পুরুষেরা এই গ্রামে এই পুজো প্রথম শুরু করেছিলেন। এখন বর্তমানে এই গ্রামে ১১ টি পুজো হয়। তবে এই পুজো প্রথম শুরু হওয়ায় গ্রামে বড় মা হিসেবে নামকরণ হয়েছে। এই পুজোর আরও বৈশিষ্ট্য যে নবমীর দিনে একি সাথে মোষ, ভেড়া ও ছাগ বলি করা হয়। এই বলিপ্রথা শুরু হওয়ার পরই বন্দুক ফাটিয়ে আশে পাশের গ্রামের মানুষদের জানান দেওয়া হয়। পাশাপাশি দশমীর দিন গ্রামের মানুষেরা মা দুর্গা কে কাঁধে চাপিয়ে পুকুরে নিরঞ্জন করেন। তাই সব মিলিয়ে উৎসবের এই দিনগুলোতে আনন্দে মেতে ওঠেন মুখার্জির পরিবারের সদস্য থেকে গ্রামবাসীরা।
এথোড়া মুখার্জির পরিবারের পুজো ৪০০ বছরে পড়ল।পুজোর ১৫ দিন আগে থেকেই মা দুর্গার বোধন হয়। আর তখন থেকেই উৎসব শুরু হয় যায় গ্রামে। ৪০০ বছর ধরে এরকমই পুজো হয়ে আসছে আসানসোলে এথোড়া গ্রামের মুখার্জির পরিবারে। দোর গোড়ায় শারদ উৎসব। তাই একদিকে কাশ ফুল জানান দিচ্ছে পুজো আসছে তেমনি মুখার্জি পরিবারের পুজোর প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে।এমনিতে ষষ্ঠীতে মায়ের বোধন হয়। কিন্তু এই এথোড়া গ্রামের পুজোর ১৫ দিন আগে ছাগ বলির মাধ্যমে মা দুর্গার বোধন হয়। এই বোধনের পরেই উৎসবের আমেজ শুরু হয়ে যায় গোটা এথোড়া গ্রামে। এর পাশাপাশি এই পুজোর আরও বৈশিষ্ট্য হল তাল পাতার পুঁথিতে লেখা মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে এই পুজো হয়। কথিত আছে ৪০০ বছর আগে মুখার্জি পরিবারের পূর্ব পুরুষেরা এই গ্রামে এই পুজো প্রথম শুরু করেছিলেন। এখন বর্তমানে এই গ্রামে ১১ টি পুজো হয়। তবে এই পুজো প্রথম শুরু হওয়ায় গ্রামে বড় মা হিসেবে নামকরণ হয়েছে। এই পুজোর আরও বৈশিষ্ট্য যে নবমীর দিনে একি সাথে মোষ, ভেড়া ও ছাগ বলি করা হয়। এই বলিপ্রথা শুরু হওয়ার পরই বন্দুক ফাটিয়ে আশে পাশের গ্রামের মানুষদের জানান দেওয়া হয়। পাশাপাশি দশমীর দিন গ্রামের মানুষেরা মা দুর্গা কে কাঁধে চাপিয়ে পুকুরে নিরঞ্জন করেন। তাই সব মিলিয়ে উৎসবের এই দিনগুলোতে আনন্দে মেতে ওঠেন মুখার্জির পরিবারের সদস্য থেকে গ্রামবাসীরা।

No comments:
Post a Comment