নদীয়ায় রাজ্যপাল, কেন পড়ুন বিস্তারিত
রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। নদীয়ার মোহনপুরে সোমবার বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী আশিস বন্দোপাধ্যায় । বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ধরনীধর পাত্র।
এবারের সমাবর্তনে মোট ৬৪০ জন ছাত্র- ছাত্রীকে পি-এইচ-ডি, এম-এসসি, এম-টেক, বি-এসসি এবং বি-টেক ডিগ্রি দেওয়া হয়। এছাড়া ২৬ জনকে দেওয়া হয় পদক।
রাজ্যে এই কদিনের দুর্যোগে কৃষিেক্ষেত্রে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান জানতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা চলছে বলে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি জানিয়েছেন। নদীয়ার মোহনপুরে আজ বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে তিনি জানান, একদিকে অতি বৃষ্টি এবং অন্যদিকে ক্ষরা, এই দুই পরিস্হিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী আশিস বন্দোপাধ্যায় জানান, গত কদিনের বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ায় রাজ্যে মোট ছটি জেলায় কৃষিতে ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ধানের তিন ধরনের ক্ষতি হয়েছে। জেলা কৃষি আধিকারিকদের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর রাজ্য সরকার তাদের অবস্হান জানাবেন। তিনি বলেন, এরাজ্যে সরকারের অধীনে যে সব কৃষি খামার রয়েছে, সেখানকার অনাবাদি জমিতেও চাষবাসের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের তিনশ খামারে যে চারশ পুকুর রয়েছে, সেখানেও মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। নদীয়ার মোহনপুরে সোমবার বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী আশিস বন্দোপাধ্যায় । বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ধরনীধর পাত্র।
এবারের সমাবর্তনে মোট ৬৪০ জন ছাত্র- ছাত্রীকে পি-এইচ-ডি, এম-এসসি, এম-টেক, বি-এসসি এবং বি-টেক ডিগ্রি দেওয়া হয়। এছাড়া ২৬ জনকে দেওয়া হয় পদক।
রাজ্যে এই কদিনের দুর্যোগে কৃষিেক্ষেত্রে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান জানতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা চলছে বলে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি জানিয়েছেন। নদীয়ার মোহনপুরে আজ বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে তিনি জানান, একদিকে অতি বৃষ্টি এবং অন্যদিকে ক্ষরা, এই দুই পরিস্হিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী আশিস বন্দোপাধ্যায় জানান, গত কদিনের বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ায় রাজ্যে মোট ছটি জেলায় কৃষিতে ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ধানের তিন ধরনের ক্ষতি হয়েছে। জেলা কৃষি আধিকারিকদের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর রাজ্য সরকার তাদের অবস্হান জানাবেন। তিনি বলেন, এরাজ্যে সরকারের অধীনে যে সব কৃষি খামার রয়েছে, সেখানকার অনাবাদি জমিতেও চাষবাসের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের তিনশ খামারে যে চারশ পুকুর রয়েছে, সেখানেও মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।





No comments:
Post a Comment