নেশা মুক্তি কেন্দ্রে গিয়ে কার্যত নরক যন্ত্রণা ভোগ করে কোনোমতে পালিয়ে এল পুরুলিয়ার এক যুবক। রাতের অন্ধকারে রান্নাঘরের চাল খুলে বেরিয়ে কাদার মধ্যে দিয়ে পালায় পুরুলিয়া শহরের ভাটবাঁধের বাসিন্দা সনৎ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই যুবক। একটা জঙ্গলের মধ্যে রাতটা কোনোমতে পার করে সকাল বেলায় পুরুলিয়ায় নিজের বাড়িতে পৌঁছয় ওই যুবক। সে ফিরে আসার পরই তার পরিবারের সদস্যরা ওই নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কথা জেনে শিউরে ওঠেন। এনিয়ে তারা অভিযোগ জানাতে পুরুলিয়া সদর থানায় গেলে অন্য থানার কেস বলে তাদের ফিরিয়ে দেয় পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দারস্থ হচ্ছে যুবকটির পরিবারের সদস্যরা। গত দুর্গা পঞ্চমীর দিন পুরুলিয়া শহরের সনৎকে আসানসোলের নিয়ামতপুরের একটি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করে দিয়ে আসেন তার পরিবারের সদস্যরা। সেখানকার দুসহ জীবনের কথা এদিন বলতে গিয়ে শিউরে ওঠে ওই যুবক। সে জানায় মদের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে সে। এই কারণে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে নেশা মুক্তি কেন্দ্রে নিয়ে যাবার কথা বলেন। নেশার থেকে মুক্তি পাবার জন্য সে নিজেও রাজি হয়ে যায়। আসানসোলের নিয়ামতপুরের লিথুরিয়া রোডের মন্দিরপাড়ায় একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি হয় সে। এরপর থেকেই শুরু হয় চূড়ান্ত অত্যাচার। সনৎ বলে রীতিমত থার্ড ডিগ্রি দেওয়া হত তাদের। কথায় কথায় পাইপ দিয়ে মার । এছাড়াও লাথি মারা হত তাদের। ওখানে গিয়ে রান্না ঘরে কাজ দেওয়া হয় তাদের কয়েক জনকে। রান্নায় সামান্য গণ্ডগোল হলেই পলিথিনের পাইপ দিয়ে তাদের পায়ের নিচে মারা হত। ঘরে ফিরে যাবার কথা বললে মার বেড়ে যেত। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার কথা বললেও তাদের ভয় দেখানো হত। এই অবস্থায় তারা পালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। রবিবার সন্ধ্যায় রান্না ঘরে কাজ করার সময় ওখানকার কর্মীদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তারা তিন জন রান্না ঘরের টিনের চাল সরিয়ে ওখান থেকে দৌড় দেয়। নেশা মুক্তি কেন্দ্রটির কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গেই খোঁজ শুরু করে। সনৎ বলে একটি জঙ্গলে সারা রাত লুকিয়ে থাকে সে। ভোরের দিকে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সে বাড়ির দিকে রওনা দেয়। এই ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী করে সনতের বাবা মধুসূদন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ইন্টারনেটে বিরাট করে বিজ্ঞাপন দেয় নিয়ামতপুরের ওই সংস্থা। সেখানে তারা যোগাযোগ করলে তাদের বলা হয় ওখানে থাকলে নেশা থেকে নিশ্চিতভাবে মুক্তি পাবে তার ছেলে। তাকে ওষুধ দেওয়া হবে। সুন্দর পরিবেশে রাখা হবে। তিনি ছেলের সুস্থতার কথা চিন্তা করে সনৎকে সেখানে ভর্তি করে দেন। প্রথম দফায় ভর্তির পরই চার হাজার এবং তারপর আরও পাঁচ হাজার টাকা ওই সংস্থাকে তিনি দিয়েছেন বলেও জানান মধুসূদন বাবু। তিনি বলেন এত টাকা দেবার পরও তার ছেলেকে সহ্য করতে হল চরম অত্যাচার এটা কোন মতেই মেনে নেওয়া যায়না।
নেশা মুক্তি কেন্দ্রে গিয়ে কার্যত নরক যন্ত্রণা ভোগ করে কোনোমতে পালিয়ে এল পুরুলিয়ার এক যুবক। রাতের অন্ধকারে রান্নাঘরের চাল খুলে বেরিয়ে কাদার মধ্যে দিয়ে পালায় পুরুলিয়া শহরের ভাটবাঁধের বাসিন্দা সনৎ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই যুবক। একটা জঙ্গলের মধ্যে রাতটা কোনোমতে পার করে সকাল বেলায় পুরুলিয়ায় নিজের বাড়িতে পৌঁছয় ওই যুবক। সে ফিরে আসার পরই তার পরিবারের সদস্যরা ওই নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কথা জেনে শিউরে ওঠেন। এনিয়ে তারা অভিযোগ জানাতে পুরুলিয়া সদর থানায় গেলে অন্য থানার কেস বলে তাদের ফিরিয়ে দেয় পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলির দারস্থ হচ্ছে যুবকটির পরিবারের সদস্যরা। গত দুর্গা পঞ্চমীর দিন পুরুলিয়া শহরের সনৎকে আসানসোলের নিয়ামতপুরের একটি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করে দিয়ে আসেন তার পরিবারের সদস্যরা। সেখানকার দুসহ জীবনের কথা এদিন বলতে গিয়ে শিউরে ওঠে ওই যুবক। সে জানায় মদের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে সে। এই কারণে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে নেশা মুক্তি কেন্দ্রে নিয়ে যাবার কথা বলেন। নেশার থেকে মুক্তি পাবার জন্য সে নিজেও রাজি হয়ে যায়। আসানসোলের নিয়ামতপুরের লিথুরিয়া রোডের মন্দিরপাড়ায় একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি হয় সে। এরপর থেকেই শুরু হয় চূড়ান্ত অত্যাচার। সনৎ বলে রীতিমত থার্ড ডিগ্রি দেওয়া হত তাদের। কথায় কথায় পাইপ দিয়ে মার । এছাড়াও লাথি মারা হত তাদের। ওখানে গিয়ে রান্না ঘরে কাজ দেওয়া হয় তাদের কয়েক জনকে। রান্নায় সামান্য গণ্ডগোল হলেই পলিথিনের পাইপ দিয়ে তাদের পায়ের নিচে মারা হত। ঘরে ফিরে যাবার কথা বললে মার বেড়ে যেত। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার কথা বললেও তাদের ভয় দেখানো হত। এই অবস্থায় তারা পালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। রবিবার সন্ধ্যায় রান্না ঘরে কাজ করার সময় ওখানকার কর্মীদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তারা তিন জন রান্না ঘরের টিনের চাল সরিয়ে ওখান থেকে দৌড় দেয়। নেশা মুক্তি কেন্দ্রটির কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গেই খোঁজ শুরু করে। সনৎ বলে একটি জঙ্গলে সারা রাত লুকিয়ে থাকে সে। ভোরের দিকে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সে বাড়ির দিকে রওনা দেয়। এই ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী করে সনতের বাবা মধুসূদন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ইন্টারনেটে বিরাট করে বিজ্ঞাপন দেয় নিয়ামতপুরের ওই সংস্থা। সেখানে তারা যোগাযোগ করলে তাদের বলা হয় ওখানে থাকলে নেশা থেকে নিশ্চিতভাবে মুক্তি পাবে তার ছেলে। তাকে ওষুধ দেওয়া হবে। সুন্দর পরিবেশে রাখা হবে। তিনি ছেলের সুস্থতার কথা চিন্তা করে সনৎকে সেখানে ভর্তি করে দেন। প্রথম দফায় ভর্তির পরই চার হাজার এবং তারপর আরও পাঁচ হাজার টাকা ওই সংস্থাকে তিনি দিয়েছেন বলেও জানান মধুসূদন বাবু। তিনি বলেন এত টাকা দেবার পরও তার ছেলেকে সহ্য করতে হল চরম অত্যাচার এটা কোন মতেই মেনে নেওয়া যায়না।

No comments:
Post a Comment