বড় ভাঙনের মুখে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস দল। মুকুল রায় ইস্তফা দিতেই বিজেপি ও কংগ্রেসের নেতৃত্ব এই দাবি করলেন। অধীর চৌধুরি তৃণমূল কংগ্রকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, শুধু মুকুল রায় নয়, আরও বড় বড় নেতা তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসবে। তিনি বলেন, “ মুকুল দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। তাঁর কিছু ফলোয়ার্সও থাকবে। আর তাঁদের মধ্যে ভয়ভীতি রয়েছে। কিন্তু তৃণমূল দলও যে ছাড়া যায় সেই বার্তাও যাবে।তৃণমূলের মধ্যে অনেকে আছেন যাঁরা ভাবছেন মুকুল রায়ের দল ছাড়ার পর তাঁর কী অবস্থা হয় তা দেখে দল ছাড়়ার সিদ্ধান্ত নেবেন।”
বিজেপির সঙ্গে সখ্যতার কারণেই তৃণমূলের নেতৃত্বের সাথে সংঘাতের কারনেই দল এবং দলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ থেকে ইস্তফা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম প্রধান সাংগঠনিক কারিগর মুকুল রায়।রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুর হাতে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। বলেন, বুকে ব্যথা নিয়েই তিনি তৃণমূল ছাড়ছেন। তুলে ধরেন, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে আজকের সাফল্যের সিঁড়ি। আর তৃণমূলের সাফল্যের পিছনে তাঁর যে যথেষ্ট অবদান রয়েছে, সেটাও বুঝিয়ে দিলেন। বলেন, তৃণমূল গঠনের সময় কেউ ছিল না। ২৮ দিনের মধ্যে কংগ্রেস ধুয়ে মুছে যায়। তৃণমূলের সবকিছু আমার হাত দিয়েই হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচিয়ে তিনি বলেন, সারদা, নারদের কথা জানতেন না তৃণমূল নেত্রী। সারদা, নারদে ক্লিনচিট দিলেও আজ সাংবাদিক বৈঠকে আগাগোড়া তৃণমূল নেত্রীকে তোপ দেগে গেলেন। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়ার জন্যই তৃণমূলের জন্ম। তাহলে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করা হল কেন? পরিবর্তে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাওয়াই উচিত ছিল।নাম না করে পরিবারতন্ত্র নিয়েও মমতাকে তোপ দাগেন তাঁর একসময়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী। মুকুলের সাংবাদিক বৈঠক শেষে রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, দল ছাড়লেও তৃণমূল নেত্রীর প্রতি শেষমুহূর্ত পর্যন্ত আনুগত্য দেখিয়ে গেলেন মুকুল। কারণ, সারদা, নারদ নিয়ে তিনি কী বলবেন, তা নিয়েই আগ্রহ ছিল বিরোধীদের। মুকুলের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে ঝাঁপানো যেত তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে।
কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্র নিয়ে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। এদিন রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে নাম না করে মমতাকে খোঁচা দিলেন মুকুল রায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে দলে মুকুলের গুরুত্ব ক্রমশ কমেছিল। তাই, কার্যত আজ পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিলেন তিনি। মুকুল রায় বলেন, রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র দেশের ক্ষতি করছে। মমতাকে তোপ দেগে বলেন, তৃণমূল এমন দল যেখানে একজনই নায়ক। বাকি তৃণমূল নেতাদের মতো মুখ বুঝে থাকতে পারিনি। আমরা কেউ কারও চাকর-বাকর নই। ৬ মাস আগেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই।

DON'T THINK ABOUT TMC WIN OR PROGRESS IT'S NOT POSSIBLE MUKUL BJP CONGRESS OUT 35YRS. RULING CPM WHO REALLY DESTROY THE BENGAL WHERE IS THE MUKUL TMC IS MUCH DEPEND ON MAMTA IF OTHER LEADER OF TMC LEAVE THEN THEY ARE CHEAT WITH BENGAL AT PRESENT TIME BJP NEED THE CORRUPT PEOPLE THAT MEANS TMC NOT INVOLVED NARAD, SHARAD ROSE VALLEY THIS CORRUPT PEOPLE NEED THIS PEOPLE RAHUL GANDHI OF CONGRESS MUST GET A ISSUE. THAT IN WHICH WAY CBI, ED, IT THE FALSE PEOPLE HELP BJP THEY ARE USE FOR BJP ELECTION CAMPAING. TRUE. I THINK MODI AND BJP MUST MIX DRUGS WITH TEA AND AFTER DRINK TEA THEY LOST THEIR PHYSICAL POWER OTHERWISE PEOPLE MUST PROTEST. IN CONGRESS TIME OPPOSTION, PUBLIC EITEHR PROTEST OR DISCUSS BUT IN BJP RULLING THEY CANNOT DO THIS IS DEMOCRACY NOT GOONS COUNTRY IF YOU SAY ANYTHING AGAINST GOVT. MUST FACE ED, CBI, IT, OR NOT PAKISTANT LIKE TERRORIST. HOPE PUBLIC OF INDIA MUST SAVE COUNTRY FROM BJP. AND MODI GOVT.
ReplyDelete