পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিলিট করে দেবেন।স্পষ্টই বললেন টলিউড জনপ্রিয় অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বর্ধমানের এক বিজেপি সভাতে দাঁড়িয়ে জয় বলেন,নিজের বিশ্ববিদ্যালয় তথা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় দিদিকে ডিলিট উপাধি দিয়েছেন,এবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দিদিকে সোজা ডিলিট করে দেবেন।তিনি এদিন সভাতে আরও বলেন,প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে সোজা তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর অঙ্গীকার তিনি এবং দল উভয়েই মিলে বড়লোক তৃণমূল পার্টিকে সরিয়ে বিজেপিকে জায়গা করিয়েই ছাড়বেন আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে।তিনি বলেন,২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমকে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন,আর এবার ২০১৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ আসতে চলেছেন।
তিনি আরও বলেন - আর মোদীজির জনকল্যাণমূলক যে ৯৭ খানা প্রকল্প আছে সেই প্রকল্পগুলোর পরিষেবা যদি মানুষকে দিতে হয় তাহলে পঞ্চায়েতে বিজেপিকে নিয়ে আসতে হবে | তাহলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সরাসরি টাকা আসবে আপনারা পরিষেবা পাবেন | কারন এখন আপনারা কোন কিছু করতে গেলে যেমন বাড়ী করতে যান ২০ হাজার টাকা দিন , বাথরুম করতে যান ১৫ হাজার টাকা দিন | এই টাকা দিয়ে আপনারা যে পরিষেবাটা পাবেন তারও কোন গ্যারান্টী নেই | তাই টিএমসি কে একমুহূর্তও বিশ্বাস করা উচিত নয় | এখন পরিবর্তনের দরকার | এবং মোদিজির হাতে পশ্চিমবঙ্গকে তুলে দেওয়ার দরকার | তাহলেই ধর্ষণ , সিন্ডিকেট , দালালবাজি , সন্ত্রাস , দুর্নীতিমুক্ত আমরা পশ্চিমবাংলা পেতে পারি , সেই পশ্চিমবাংলা সার্বিক শান্তি , ভালোবাসা , উন্নতি এবং সোনার বাংলা হবে যদি আপনারা বিজেপির পাশে থাকেন |
পাশাপাশি জয় বাবু ডেঙ্গু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়ে বলেন ,পশ্চিমবঙ্গে দিন দিন ডেঙ্গু মহামারি আকারে বেড়ে চলেছে।আর তা না দেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশ-বিদেশ ঘুরে ঘুরে চিৎকার করে বেড়াচ্ছেন।আর কোন রাজ্যে কত লোক মারা গেছেন তার হিসেবে করে চলেছে।অথচ পশ্চিমবঙ্গে যে দিনের পর দিন ধরে মানুষ মরে চলেছে তার হিসেব রাখছেন না।তাঁর হিসেবে সব রাজ্যের তুলনায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু সংখ্যা কম বলে মনে হচ্ছে।পাশাপাশি হাসপাতালগুলিতে ডেঙ্গুতে মারা গেলে রোগীদের ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গু লেখা যাবে না।কারণ ডেঙ্গু লিখলে মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়তে হবে।ফলে চিকিৎসকরা ডেঙ্গু রোগের নামটি লেখে না।সেটাকে অজানা জ্বর বলে চালানো হয়।
No comments:
Post a Comment