ভোটের জন্য সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই দাবি বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি রসিকতা করে বিরিয়ানির তেজপাতার সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা করেছেন। তিনি বলেন,বিরিয়ানি রান্না করবার সময় তেজপাতা লাগে কিন্ত বিরিয়ানি খাওয়ার সময় তেজপাতা ফেলে খেতে হয়, ঠিক তেমনই ভোট পাওয়ার সময় সংখ্যালঘু সংখ্যালঘু করে। ভোট চলে গেলে ছুঁড়ে ফেলে দেয় তাদের। এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইফতার রোজা সব করেন তবে ভরপুর পেটে করেন। জয় ত্বহা সিদ্দিকীর নিয়ে বলেন, তিনি কয়েকদিন আগে তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন, সেখানে ত্বহা সিদ্দিকী বলেন যারা রোজা করেন তারা প্রকৃত ধর্ম মেনেই করেন। তারা থুথু পর্যন্ত গিলতে পারেন না। আর সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খাওয়ার খেয়ে রোজা ইফতার করেন। কারণ তিনি সংখ্যালঘুদের খুশি করবেন ফলে তারা সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিয়ে জেতাবে। জয়ের প্রশ্ন তাহলে কি এটা ঠিক করছেন দিদি? তিনি নিজেকে টেনে বলেন, তাঁর বডি গার্ড, গাড়ির চালক সবাই সংখ্যালঘু, তারা একসাথে খায় পর্যন্ত কিন্ত তিনি(জয় বন্দ্যোপাধ্যায়) তো এত কিছু করেন না।তাহলে কি তিনি মুসলিম ধর্মকে অবজ্ঞা করেন? প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন কেতুগ্রামের বাসিন্দাদের কাছে।
ভোটের জন্য সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই দাবি বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি রসিকতা করে বিরিয়ানির তেজপাতার সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা করেছেন। তিনি বলেন,বিরিয়ানি রান্না করবার সময় তেজপাতা লাগে কিন্ত বিরিয়ানি খাওয়ার সময় তেজপাতা ফেলে খেতে হয়, ঠিক তেমনই ভোট পাওয়ার সময় সংখ্যালঘু সংখ্যালঘু করে। ভোট চলে গেলে ছুঁড়ে ফেলে দেয় তাদের। এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইফতার রোজা সব করেন তবে ভরপুর পেটে করেন। জয় ত্বহা সিদ্দিকীর নিয়ে বলেন, তিনি কয়েকদিন আগে তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন, সেখানে ত্বহা সিদ্দিকী বলেন যারা রোজা করেন তারা প্রকৃত ধর্ম মেনেই করেন। তারা থুথু পর্যন্ত গিলতে পারেন না। আর সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খাওয়ার খেয়ে রোজা ইফতার করেন। কারণ তিনি সংখ্যালঘুদের খুশি করবেন ফলে তারা সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিয়ে জেতাবে। জয়ের প্রশ্ন তাহলে কি এটা ঠিক করছেন দিদি? তিনি নিজেকে টেনে বলেন, তাঁর বডি গার্ড, গাড়ির চালক সবাই সংখ্যালঘু, তারা একসাথে খায় পর্যন্ত কিন্ত তিনি(জয় বন্দ্যোপাধ্যায়) তো এত কিছু করেন না।তাহলে কি তিনি মুসলিম ধর্মকে অবজ্ঞা করেন? প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন কেতুগ্রামের বাসিন্দাদের কাছে।
No comments:
Post a Comment