দুই সন্তান সহ অগ্নিদগ্ধ মা।এক বছরের পুত্র ও আট বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গ্যাসের পাইপ খুলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মা। ঘটনাটি ঘটে পুরশুড়া থানার দেউলপাড়ায় । অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ ও দুই শিশুর নাম টুম্পা অধিকারী (২৬), অনামিকা অধিকারী (৮), শুভম অধিকারী (১) ।রবিবার রাতে স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে ঘরের মধ্যে থাকা গ্যাসের পাইপ খুলে আগুন লাগিয়ে দেয় গৃহবধূ । সেই সময় ঘরের মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হয় দুই শিশু। গৃহবধূর স্বামী নির্মল অধিকারী বলেন "আমি চন্দননগরে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলাম বাড়িতে আসার পরে দরজা খুলতে চায়নি আমার বউ। ভিতর থেকে আমাকে জানিয়ে দেয় মনে কর তোমার বউ মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের পাইপ খুলে আগুন লাগিয়ে দেয়। আমি এজবেস্টারের চাল ভেঙ্গে আমি ভেতরে ঢুকে পাড়া-প্রতিবেশী কে ডেকে উদ্ধার করি তিনজনকে।" গৃহবধূর বাবা জয়ন্ত মাইতি বলেন " প্রেম করে বছর দশেক আগে বিয়ে করেছিল দুজনে। প্রায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতো । জামাই মেয়েকে ও দুই বাচ্চাকে ঠিকমত খেতে দিতনা ।আমরা দিন মজুরের কাজ করে ওদের মুখে ভাত তুলে দিতাম। আজকে যখন ঘটনা ঘটেছে আমরা কেউ ছিলাম না।"আশঙ্কাজনক অবস্থায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাদের কলকাতা স্থানান্তরিত করেন। দুই শিশু পিজি হাসপাতালে ও গৃহবধূকে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসক পরিবারকে জানিয়ে দেন তিনজনেরই ১০০ শতাংশই আগুনে পুড়ে গেছে। তিন জনেরই বাঁচার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
দুই সন্তান সহ অগ্নিদগ্ধ মা।এক বছরের পুত্র ও আট বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে গ্যাসের পাইপ খুলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মা। ঘটনাটি ঘটে পুরশুড়া থানার দেউলপাড়ায় । অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ ও দুই শিশুর নাম টুম্পা অধিকারী (২৬), অনামিকা অধিকারী (৮), শুভম অধিকারী (১) ।রবিবার রাতে স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে ঘরের মধ্যে থাকা গ্যাসের পাইপ খুলে আগুন লাগিয়ে দেয় গৃহবধূ । সেই সময় ঘরের মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হয় দুই শিশু। গৃহবধূর স্বামী নির্মল অধিকারী বলেন "আমি চন্দননগরে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলাম বাড়িতে আসার পরে দরজা খুলতে চায়নি আমার বউ। ভিতর থেকে আমাকে জানিয়ে দেয় মনে কর তোমার বউ মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের পাইপ খুলে আগুন লাগিয়ে দেয়। আমি এজবেস্টারের চাল ভেঙ্গে আমি ভেতরে ঢুকে পাড়া-প্রতিবেশী কে ডেকে উদ্ধার করি তিনজনকে।" গৃহবধূর বাবা জয়ন্ত মাইতি বলেন " প্রেম করে বছর দশেক আগে বিয়ে করেছিল দুজনে। প্রায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হতো । জামাই মেয়েকে ও দুই বাচ্চাকে ঠিকমত খেতে দিতনা ।আমরা দিন মজুরের কাজ করে ওদের মুখে ভাত তুলে দিতাম। আজকে যখন ঘটনা ঘটেছে আমরা কেউ ছিলাম না।"আশঙ্কাজনক অবস্থায় গৃহবধূ ও দুই শিশুকে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাদের কলকাতা স্থানান্তরিত করেন। দুই শিশু পিজি হাসপাতালে ও গৃহবধূকে শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসক পরিবারকে জানিয়ে দেন তিনজনেরই ১০০ শতাংশই আগুনে পুড়ে গেছে। তিন জনেরই বাঁচার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

No comments:
Post a Comment