ব্রেকিং : জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙতে নির্বাচন কমিশনে মুকুল ? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 13 October 2017

ব্রেকিং : জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙতে নির্বাচন কমিশনে মুকুল ?





জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙতে নির্বাচন কমিশনে মুকুল ?  বিস্তারিত আসছে....




অন্যদিকে, নারদকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুকুল রায়, সৌগত রায়, কাকলী ঘোষ দস্তিদার ও প্রসুন বন্দোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল ইডি। নভেম্বরের মধ্যে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিক তদন্ত শেষ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।
ইতিমধ্যেই নয় অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তৃণমূলের প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদ ছাড়াও সুব্রত মুখার্জি, ফিরহাদ হাকিম, শুভেন্দু অধিকারী, শোভন চ্যাটার্জি, অপরূপা পোদ্দার, বিধায়ক ইকবাল আহমেদ, মদন মিত্র ও পুলিশ আধিকারিক এস এম এইচ মির্জাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে একমাত্র শোভন চ্যাটার্জি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। এমনকী, নারদ নিউজ়ের CEO ম্যাথু স্যামুয়েলকে চেনেন না বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি। তাঁর স্ত্রী রত্না চ্যাটার্জিকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’বার সমন পাঠিয়েছে ED। কিন্তু, বিদেশে থাকায় এখনও হাজিরা দেননি তিনি।  


বিজেপি–কে আপ্রাণ তোয়াজ মুকুলের!



সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই বিজেপি–‌কে তুষ্ট করার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন মুকুল রায়। বুধবার তাঁর বহুচর্চিত সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত পর্বতের মূষিক প্রসব হল। মুকুল বললেন, ‘‌ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তৃণমূল ছাড়ছি। তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিলাম।’‌ আরও বললেন, ‘‌তৃণমূলে সহকর্মী হিসেবে নয়, ভৃত্য হয়ে থাকতে হয়।’‌ স্বাভাবিক প্রশ্ন, প্রায় দু’‌‌দশক দলে থাকার পর এখন হঠাৎ এ কথা কেন বলছেন?‌ কিঞ্চিৎ উত্তেজিত হয়ে মুকুল বলেন, ‘‌বলেছি তো। দলের অন্দরে বলেছি। সে–কথা আপনার জানার কথা নয়। আমি নিজে যখন বলছি, আপনাকে সেটা মানতে হবে।’‌
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার পর কমপক্ষে বার দশেক বিজেপি প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। প্রতিবারই তিনি নরেন্দ্র মোদির পক্ষে কথা বলেছেন। বলেছেন, ‘‌বিজেপি মোটেও সাম্প্রদায়িক দল নয়, অচ্ছুতও নয়।’‌ রাজনৈতিক কারণেই সারদা, নারদের তদন্তে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই–‌কে দিয়ে তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অভিযোগ নাকচ করেছেন মুকুল। বলেছেন, ‘সারদায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নারদে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তাই এই অভিযোগ মোটেও ঠিক নয়।’‌ সিবিআইয়ের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলেও জানিয়েছেন। অতীতে তৃণমূলের এনডিএ–‌তে যাওয়া এবং বেরিয়ে আসার বিষয়টি বার কয়েক উল্লেখ করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে বোঝা গেছে, মুকুল রায়ের পরবর্তী গন্তব্য হতে চলেছে বিজেপি–‌ই। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও জানিয়েছেন তিনি। এমনকী বিজেপি–র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর ছেলে জয় শাহর ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠা নিয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে মুকুলের প্রতিক্রিয়া, ‘‌অমিত শাহর ছেলে রাজনীতিবিদ নন।’‌
শুরুতে প্রত্যাশামতোই তৃণমূলের জন্মলগ্নের বর্ণনা দেন মুকুল। তৃণমূলকে ‘‌এক ব্যক্তির দল’‌ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘‌পরিবারতন্ত্র দেশের জন্য মোটেও ভাল নয়।’‌ তবে এড়িয়ে যান অভিষেক প্রসঙ্গ। মনে করিয়ে দেন, ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর তৃণমূলকে রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে তিনিই আবেদন করেছিলেন। পরে মমতা ব্যানার্জি কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দিতে চান। কমিশনকে হলফনামা দিয়ে সে–কথা জানিয়েছিলেন। ‌এরপর ’‌৯৮–‌এ বিজেপি–‌র সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে নির্বাচনে লড়েছিল তৃণমূল। অটলবিহারী বাজপেয়ীর ১৩ দিনের সরকারে কয়লামন্ত্রী হয়েছিলেন মমতা। মুকুলের প্রশ্ন, তখন তো বলা হয়নি বিজেপি সাম্প্রদায়িক দল?‌ পরে রেলমন্ত্রী হন মমতা। পরে এনডিএ ছেড়ে ইউপিএ–‌তে যাওয়ার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘‌কংগ্রেসের বিরোধিতা করার জন্যই তো তৃণমূলের জন্ম!‌ আজ যদি কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট করতে হয়, তাহলে তৃণমূলের উচিত কংগ্রেসে মিশে যাওয়া।’‌ সারদা ও নারদ প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, ‘‌এই বিষয়ে মমতা কিছুই জানতেন না। এটা দলের নেতাদের ব্যক্তিগত বিষয়।’‌
তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে সব নিয়ে কোনও প্রশ্নের জবাব দেননি। বলেছেন, কিছুই ঠিক করেননি। এখন কিছু দিন ছুটি কাটাবেন। তারপর জানাবেন। ‌

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad