পাড়ার ও জেলার বিজেপি নেতারা মার খাবে এটাই দলের নির্দেশ - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 7 October 2017

পাড়ার ও জেলার বিজেপি নেতারা মার খাবে এটাই দলের নির্দেশ





 রাজ‍্য জুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করল তৃণমুল কংগ্ৰেস। পাড়ার ও জেলার বিজেপি নেতারা মার খাবে এটাই দলের নির্দেশ বললেন নানুরের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা । যদিও তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতারা কলকাতায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বলেন, ফের মুকুল রায় কে কটাক্ষ পার্থর। প্রথম ডিভিশন থেকে নেমে চতুর্থ ডিভিশনে যাচ্ছেন মাঠের বাইরে থাকার জন্য। এতে তৃণমূল এর কোনো হেরফের হবেনা। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে নিলে যে কেউ হিরো থেকে জিরো হয়ে যাবে। বিজেপি নেতাদের মস্তান সুলভ আচরণ ও কথাবার্তা। আঙ্গুল কেটে নেওয়ার হুমকি। এই ধরনের কাজ একসময় বামেরা করত। বিমল গুরুংকে সামনে রেখে বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছে বিজেপি নেতারা। পাহাড়ে রাস্তা কাটা হচ্ছে। সংবিধান বিরোধী আন্দোলন চলছে। দলীয় কর্মীদের বিজেপির কথায় প্ররোচিত না হওয়ার আবেদন। তবে একই সাথে বিজেপি নেতাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তার বক্তব্য দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে বাংলার মানুষকে অপমান করলে তারা মেনে নেবেন না।




এদিন দুপুরে কৃষ্ণনগরের কালেকটারী মোড়ে তৃণমুল কংগ্ৰেস পরিচালিত এক বিক্ষোভ কর্মসুচি অংশ নেন হাজারখানেক তৃণমুল কর্মী।প্রথমে কৃষ্ণনগরের জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে মিটিং করেন নদীয়া জেলা তৃণমুল নেতৃত্ব পরে নরেন্দ্র মোদীর কুশপুতুল দাহ করে শেষ হয় এই কর্মসুচি।উপস্থিত ছিলেন তৃণমুলূর নদীয়া জেলা সভাপতি তথা মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বাণী কুমার রায়, প্রাক্তন জেলা সভাপতি গৌরী শঙ্কর দত্ত সহ জেলার অন‍্য তৃণমুলের নেতৃত্বরা। এদিনের মঞ্চ থেকে বিজেপিকে আগাগোড়া আক্রমন করা হলে বক্তৃতার প্রতি পর্যায়ে সদ‍্য অপসারিত তৃণমুল নেতা মুকুলের নাম বারবার ভেসে এসেছে বিভিন্ন বক্তব‍্য মাঝে মধ‍্যেই।প্রাক্তন জেলা সভাপতি গৌরী দত্ত তো বলেই ফেললেন যে পঞ্চায়েত টিকিট না পেয়ে কেউ দলত‍্যাগি হলে তাকে ফেরাবেন না যার কাছে যাবে তিনি কাচরাপাড়া পৌড়সভার নিজ ওয়ার্ডেও জিততে পারবেন না। এবারের পঞ্চায়েত ভোটে নদীয়ায় মুকুল যে একটি বড় ফ‍্যাক্টর সেটার কথায় মনে করাচ্ছে তৃণমুলের ছোটবড় নেতৃত্বের এই আক্রমনে, রাজনৈতিক মহলের এমনটাই মত।

রাজ্য জুড়ে বিজেপি অশান্তি ছড়াচ্ছে এই অভিযোগ তুলে আজ বাঁ কুড়ায় মহামিছিল করল তৃনমুল কংগ্রেস।  আজ বেলা বারোটা থেকে দফায় দফায় দলের  জেলা সভাপতি সহ বিভিন্ন বিধায়ক ও সাংসদের নেতৃত্বে তৃনমুল কর্মীরা বাঁ কুড়া হিন্দু স্কুল থেকে মিছিল করে মাচানতলায় যান।  সেখানে প্রতিবাদ সভা করে তৃনমুল। প্রতিবাদ সভায় প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কুশপুতুল পোড়ানো হয়।

তৃণমূলের পার্টি  অফিস ও তাদের অফিসের সামনে থাকা শহিদ বেদিতে বিজেপির দলীয় পতাকা টাঙ্গানো নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালো।ঘটনার জেরে এলাকার এক বিজেপি কর্মী কে ব্যাপক মারধর  করা হয়। অভিযোগ তির তৃণমূলের দিকে। শনিবার এই ঘটনা ঘটে হুগলির খানাকুলের রাজহাটিতে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম সঞ্জয় মন্ডল। এদিকে তৃণমূলের পার্টি অফিসে বিজেপির পতাকা লাগানোর বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে এলাকায় বিজেপি অশান্তি করতেই এইভাবে বিশৃংখলা করছে।আবার বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে রবিবার খানাকুলে তাদের একটি কর্মসূচী আছে।সেটাই বানচাল করার জন্য নিজেরাই পতাকা লাগিয়ে এইরকম গন্ডগোল করতে চাইছে।এক বিজেপি কর্মীকেও মারধর করে ওরা।এই ঘটনার কথা  খানাকুল থানায় জানানো হয়েছে।অভিযোগ এলাকার বিজেপি কর্মীরা ভয়ে এলাকা ছাড়ছে।

1 comment:

  1. সালারা আচ্ছা BC, যদি তাই হতো তো মার খেতো কেন রে নির্বুদ্ধির দল। সবাই কে নিজেদের মতো BC ভাবিস?

    ReplyDelete

Post Top Ad