শেষমেষ পাঁশকুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলে বহিষ্কৃতনেতা অনিসুর রহমান। পাঁশকুড়া পুরসভার মোট ১৮ টি আসনের মধ্যে ১৭ টি আসনে জয়লাভ করে বোর্ড দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। এর পর গত সেপ্টম্বর মাসের ৬ তারিখে
পাঁশকুড়া পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের হুইপকে অগ্রাহ্য করার অভিযোগ ওঠে পাঁশকুড়া পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আনিসুরে রহমানের বিরুদ্ধে। দলের নির্দেশ অমান্য করে তিনি জোর করে চেয়ারম্যান পদে বসেছেন বলে অভিযোগ ওঠে দলের পক্ষ থেকে। আর সেই ঘটনার পর কলকাতায় পার্থ চ্যাটার্জী সাংবাদিক বৈঠক করে আনিসুরকে তৃণমূল থেকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন । কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ আনিসুর। দলের নির্দেশ না মেনেই চেয়ারম্যানপদে আসিন হন অনিসুর রহমন। বহিষ্কার করা হলে দলিয় ব্যানারে পাঁশকুড়া সভা করে দলে নেতা ও মন্ত্রীদের নাম না করে কড়া ভাষায় হুশিয়ারি দিতে থাকে। চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন পাঁশকুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান জানিয়েছিলেন দলের পক্ষ থেকে আমাকে বহিষ্কারের কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। দলের নেত্রী যদি আমায় বলেন তাহলে আমি ইস্তফা দিতে রাজি। তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই একমাসেএ মাথায় ইস্তফা দিলেন আনিসুর? না ইস্তফার পেছনে অন্যকোন রাজনৈতিক কারন উকি মারছে। তানিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা।
যদিও আনিসূর বলেন তৃণমূল দলে তিনি ছিলেন,এখনও আছেন,আগামী দিনে ও দলের ঝাণ্ডা কাঁধে বাঁচবেন।দলের নির্দেশ মতোই তিনি আজ পদত্যাগ করলেন ।কোন বিতর্ক কে তিনি আমোল দিতে নারাজ।দলের নেত্রীর নির্দেশই তাঁর কাছে একমাত্র শিরোধার্য ।দলের নেত্রীর ছবি ছাড়া বাকি সব ডাস্টবিন ।যে যতবড় নেতা ,মন্ত্রী হতে পারেন সবই ডাস্টবিন । তিনি এমন কটাক্ষ করেন এদিন বক্তব্যে।

No comments:
Post a Comment