সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র, গরু জবাইয়ের অভিযোগে ২ হিন্দু গ্রেফতার - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 4 October 2017

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র, গরু জবাইয়ের অভিযোগে ২ হিন্দু গ্রেফতার




উত্তর প্রদেশের গোণ্ডা জেলায় গরু জবাইয়ের ঘটনায় পুলিশ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে। রামসেবক দীক্ষিত ও মঙ্গলি দীক্ষিত নামে গ্রেফতার হওয়া দু’জনই হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ষড়যন্ত্র করেই গরু জবাইয়ের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কার্যত পুলিশি তৎপরতার ফলেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় বড়সড় সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আজ (বুধবার) বিবিসি হিন্দি গণমাধ্যম প্রকাশ, পুলিশ সুপার উমেশ কুমার সিং বলেন, ‘অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গো-বধ নিবারণ অধিনিয়ম অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

অন্য একটি সূত্রে প্রকাশ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘কাটরা বাজারে ভাটপুরওয়া গ্রামে গত রোববার রাতে কিছু লোক গণেশ প্রসাদ দীক্ষিতের গরু খুলে নিয়ে যায়। পরে ওই গরুকে তার মাথা ধড় থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রামবাসীরা রামসেবক ও মঙ্গলিকে পালিয়ে যেতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরের দিনই পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।’

পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘গরু নিখোঁজ হওয়া এবং পরে জবাইয়ের ঘটনায় গ্রামে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে ষড়যন্ত্র করেই ওই গরুকে হত্যা করা হয়েছিল। গরু জবাইয়ের ঘটনায় পরিস্থিতি এটতাই  খারাপ হয় যে, ওই এলাকায় প্রচুর পুলিশ ও পিএসি বাহিনী মোতায়েন করতে হয়।’

পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার সময় তারা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল। দু’জনের বিরুদ্ধেই অপরাধ প্রবণতা এবং তাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই কয়েকটি মামলা চলছে এবং তারা কারাগারেও গেছে।

অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে না পারলে পরিস্থিতি বড়সড় সাম্প্রদায়িক সংঘাতের আকার নিত বলে পুলিশ কর্মকর্তা উমেশ কুমার সিং জানিয়েছেন।

পুলিশ মনে করছে, এদিনই গ্রামটিতে মহরম বা আশুরার মিছিলের কথা মাথায় রেখে ইচ্ছাকৃতভাবে ওই ঘটনা ঘাটানো হয়েছিল। 

বিধান পরিষদের নেতা মাহফুজ খান এবং বিএসপি নেতা মাসুদ আলম খান ধৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। 

এক্ষেত্রে অবশ্য হিন্দুত্ববাদী কথিত গো-রক্ষকদের কোনো আন্দোলন বা তৎপরতা দেখা যায়নি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad