বিজেপিতে তৃণমূলের আগুন, মমতা সরকারের হাত থেকে বাঁচতে হলে সাধারণ মানুষকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে হবে দাবি জয়ের
“বাংলা বিপন্ন। বাংলার মানুষ বিপন্ন। অদূর ভবিষ্যতে সুস্থভাবে বাঁচতে হলে সাধারণ মানুষকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে হবে। বাংলার সাধারণ মানুষের বাঁচার অধিকার দিন দিন কেড়ে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।” দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে প্রকাশ্য জনসভায় এই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা জয় ব্যানার্জি।
বিকেলে কুলতলি এক নম্বর ব্লকে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা পূর্ব জেলার বিজেপি সভাপতি ত্রিদিব মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক সুনীপ দাস, স্থানীয় নেতা উত্তম হালদার। সভার শুরু থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করেন জয়। এছাড়া ওই সভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএম ছেড়ে সাড়ে ছশো জন বিজেপি -তে যোগদান করেন।
এদিন বিজেপির ওই অভিনেতা জয় বন্দোপাধ্যায় বলেন, “আপনি একদিকে মুখ্যমন্ত্রী অপর দিকে আপনি পুলিশ মন্ত্রী। তাই এই দায় আপনি কোনও মতেই এড়াতে পাড়েন না। এদিন ওই মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপির ওই গ্লামার বয় বলেন, অমিতাভ মল্লিক(২৬)।
অন্যদিকে, ক্যানিংয়ে বিজেপি-র কার্যালয় ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের সামনেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আহত হন তিনজন। তারা দলীয় কর্মী বলে দাবি করেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত আজ সন্ধে সাতটায়। এক কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের প্রতিবাদে আরএসএস কর্মীরা ক্যানিং বাজারে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল। সেসময় তারা ক্যানিং বাজারে কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। এরপর তাদের রুখতে আসরে নামে তৃণমূল কর্মীরা। তারা আরএসএস কর্মীদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। অভিযোগ, এরপর তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি অফিসে ভাঙচুর চালায়। ঘটনাস্থানে আসে ক্যানিং থানার পুলিশ। তারা লাঠিচার্জ করে তৃণমূল কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে। সেসময় পুলিশের সামনেই বিজেপি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় তিন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, সেখানে তৃণমূল কর্মীরা গিয়ে মারধর করে। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।


No comments:
Post a Comment