রাজমিস্ত্রি কাজের আড়ালেই কলকাতা সহ আশপাশের এলাকায় জেহাদ সম্পর্কে প্রচার করত কলকাতা স্টেশনে ধৃত দুই বাংলাদেশি । কলকাতা ছাড়াও হায়দরাবাদ, রাঁচি, পুনে ও পটনাতেও এদের যাতায়াত ছিল আলকায়দা জঙ্গি সন্দেহে ধৃত দুই বাংলাদেশি বাংলাদেশের নাগরিক সামসেদ মিঞা ও রিজ়াউল ইসলাম। আর বসিরহাটের বাসিন্দা মনতোষ দে অস্ত্র যোগানের কাজে জড়িত ছিল বলে জানা গেছে। এদিকে আরও তথ্য পেতে
আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ধৃত তিনজনের ১৪ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বুধবার কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্য অর্ণব ঘোষালের এজলাসে তোলা হয় তাদের। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের পুলিশ হেপাজতের আবেদন জানানো হলে তা মঞ্জুর করেন বিচারক। এদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, বেআইনি অনুপ্রবেশ ও আর্মস অ্যাক্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর মঙ্গলবার কলকাতা স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সামসেদ মিঞা, রিজ়াউল ইসলাম ও মনোতোষ দে-কে। এদের কাছ থেকে বিস্ফোরক তৈরির বইও উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, এরা রাজমিস্ত্রি হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করত। আর পাশাপাশি জেহাদ সম্পর্কে প্রচার করত। কলকাতা ছাড়াও হায়দরাবাদ, রাঁচি, পুনে ও পটনাতেও এদের যাতায়াত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, হায়দরাবাদে কসাইখানায় কাজ করতেন তাঁরা।
অস্ত্র কেনার জন্যই বসিরহাটের মনোতোষের সঙ্গে এদের যোগাযোগ হয়। মনোতোষের বিরুদ্ধে এর আগেও অনেককে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সবকিছুই খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। তবে মনোতোষ এলাকায় মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিল। মনে করা হচ্ছে মাছ ব্যবসার আড়ালেই এইসব বেআইনি কাজ করত সে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ধৃত দুই বাংলাদেশের নাগরিক সামসেদ মিঞা ও রিজ়াউল ইসলাম একাধিক নামে এখানকার পরিচয়পত্র তৈরি করে। কাদের সাহায্যে এইসব তারা তৈরি করেছে তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এইক্ষেত্রে মনোতোষের কোনও ভূমিকা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
No comments:
Post a Comment