আধার কার্ড নিয়ে যখন হইচই ভারত বর্ষ জুড়ে ঠিক সেই সময় একই ব্যক্তির পৃথক দুটি আধার কার্ড, নম্বরও আলাদা।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। ৫ বছরের এক শিশুর জন্য ডাকযোগে এসে পৌঁছেছে পৃথক নম্বরের দুটো আধারকার্ড।যা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ওই শিশুর পরিবারের লোকেরা। ঘটনায় প্রশাসনিক গাফিলতির অভযোগও তুলছেন তাঁরা।প্রশ্ন উঠছে, ব্যক্তি সনাক্তকরণে যেখানে সব কিছুতেই আধার নম্বরকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে,সেখানে এই ভুল কীভাবে সম্ভব? এগরা পুরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুদীপ পন্ডা।তাঁর ৫ বছরের মেয়ে আয়েত্রীর জন্য পুরসভার আধার ক্যাম্পে প্রথমে ছবি তোলা হয়েছিল। সেই আধারকার্ড না পেয়ে মাস দু'য়েক আগে সরকার অনুমোদিত একটি সাইবার ক্যাফেতে পুনরায় আয়েত্রীর আধার কার্ডের জন্য আবেদন করা হয়।কয়েকদিন আগে ডাকযোগে আয়েত্রীর নামেই পৃথক নম্বরের জোড়া আধারকার্ড এসে পৌঁছায়।যা হাতে পাওয়ার পর চোখ কপালে উঠেছে পরিবারের লোকেদের। কোন কার্ডটা বৈধ তা নিয়েই ধন্দে পড়েছেন তাঁরা। পুর-প্রশানকেও এ বিষয়ে জানিয়েছেন তাঁরা।তবে তাঁরাও এর কোনও সমাধান করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিষয়ে আধার সংক্রান্ত সরকারি ওয়েবসাইডে অভিযোগ জানাতে হবে ওই শিশুর পরিবারকে।তবেই সমস্যা মিটতে পারে। আর তা না হওয়া পর্যন্ত জোড়া আধার নিয়ে রীতিমতো আঁধারে ওই শিশুর পরিবার।আর কোন কার্ডটা এখন বর্তমানে ব্যবহার করবে সেই নিয়ে চিন্তিত পরিবার।
আধার কার্ড নিয়ে যখন হইচই ভারত বর্ষ জুড়ে ঠিক সেই সময় একই ব্যক্তির পৃথক দুটি আধার কার্ড, নম্বরও আলাদা।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। ৫ বছরের এক শিশুর জন্য ডাকযোগে এসে পৌঁছেছে পৃথক নম্বরের দুটো আধারকার্ড।যা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ওই শিশুর পরিবারের লোকেরা। ঘটনায় প্রশাসনিক গাফিলতির অভযোগও তুলছেন তাঁরা।প্রশ্ন উঠছে, ব্যক্তি সনাক্তকরণে যেখানে সব কিছুতেই আধার নম্বরকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে,সেখানে এই ভুল কীভাবে সম্ভব? এগরা পুরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুদীপ পন্ডা।তাঁর ৫ বছরের মেয়ে আয়েত্রীর জন্য পুরসভার আধার ক্যাম্পে প্রথমে ছবি তোলা হয়েছিল। সেই আধারকার্ড না পেয়ে মাস দু'য়েক আগে সরকার অনুমোদিত একটি সাইবার ক্যাফেতে পুনরায় আয়েত্রীর আধার কার্ডের জন্য আবেদন করা হয়।কয়েকদিন আগে ডাকযোগে আয়েত্রীর নামেই পৃথক নম্বরের জোড়া আধারকার্ড এসে পৌঁছায়।যা হাতে পাওয়ার পর চোখ কপালে উঠেছে পরিবারের লোকেদের। কোন কার্ডটা বৈধ তা নিয়েই ধন্দে পড়েছেন তাঁরা। পুর-প্রশানকেও এ বিষয়ে জানিয়েছেন তাঁরা।তবে তাঁরাও এর কোনও সমাধান করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিষয়ে আধার সংক্রান্ত সরকারি ওয়েবসাইডে অভিযোগ জানাতে হবে ওই শিশুর পরিবারকে।তবেই সমস্যা মিটতে পারে। আর তা না হওয়া পর্যন্ত জোড়া আধার নিয়ে রীতিমতো আঁধারে ওই শিশুর পরিবার।আর কোন কার্ডটা এখন বর্তমানে ব্যবহার করবে সেই নিয়ে চিন্তিত পরিবার।


No comments:
Post a Comment