মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন কেউ সন্ত্রাস করবে না, গুন্ডাগিরি করবে না তখন তৃণমূলের লোকেরা শোনে আবার মুখ্যমন্ত্রী অন্য দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেলে ফের গুন্ডাগিরি, সন্ত্রাসবাহিনী নিয়ে সন্ত্রাস, সিন্ডিকেটবাজি করে বেড়ায়। আবার নতুন করে বালি নিয়ে চোরা কারবার শুরু হয়েছে। আর তাতে মদত দেয় পুলিশ। বিজেপি নেতা তথা হীরক জয়ন্তীর হিরো জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুরে এক জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে একহাত নিয়ে বলেন, ১৯৫৫ সালের সময় পুলিশকে নিয়ে গর্ব হত, তাদের স্কটল্যান্ডের সঙ্গে তুলনা করা হত। আর এখন পুলিশ হপ্তা তুলতে ব্যস্ত, পকেট ভরতে ব্যস্ত। আর তাতে ভাগীদার তৃণমূল নেতা নেত্রীরা।
পাশাপাশি বীরভূমে দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল বিরোধী দলদের হুমকি দিয়েছিলেন চোখ তুলে নিয়ে পাথরের চোখ লাগিয়ে দেওয়ার। আর এরপরই বিরোধী দলগুলির মধ্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।এই প্রসঙ্গে বর্ধমানে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,যদি অনুব্রত বাবু চোখ তুলে পাথরের চোখ লাগানোর কথা ভাবেন তাহলে সেটি হবে না, পাথরের জায়গায় অনুব্রত মণ্ডলের চোখ লাগানো হবে।জয় বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ভাগ্যিস সিপিএম কটা খুন করেছে তার কথা বলেছেন আর যদি বিজেপির কথা বলত তাহলে এবার আর বিজেপিরা চুপ থাকত না। কারণ এটা হল ২০১৭-২০১৮ এর বিজেপি ২০১৫-২০১৬ এর নয়। বিজেপির দিকে হাত বাড়ালে তাঁর হাত ভেঙ্গে, মুচড়ে দেওয়া হবে।পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডল নাকি জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা বলে দাবী করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে ফোন করে গুরু গুরু বলে সম্বোধন করেন। তবে জয় বাবু বলেন, তিনি কোনও দিনই তাঁকে ফোন করেননি। যদি তাঁর ফোনে কললিস্টে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নম্বর দেখাতে পারে তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন।
জয় বলেন, তিনি দুইজন মানুষকেই গুরু বলে মনে করেন, এক নরেন্দ্র মোদী ও দ্বিতীয় অমিতাভ বচ্চন। পাশাপাশি জয় বলেন,ধর্মতলায় রানী রাসমণি রোডে সদ্য দলত্যাগী মুকুল রায় তৃণমূলকে নিয়ে একের পর এক ধামাকা ফাঁটিয়েছিলেন বিজেপি জনসভাতে।গোপন ফাইল নিয়ে অভিযোগের তির মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। আর এরপরই গেরুয়া শিবিরের নেতা নেত্রীরা মুকুল রায়ের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধছেন।

No comments:
Post a Comment