অর্থ নয়ছয় ও গরীবের স্বার্থে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সঠিক রূপায়ণের দাবীতে জয়নগর ২ নং বি ডি ও অফিসে সকাল ১০টা নাগাদ অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়।বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য নেতা মাননীয় জয় ব্যানার্জী সহ অন্যান্য কর্মীরা। এদিন সভাতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন কেউ সন্ত্রাস করবে না, গুন্ডাগিরি করবে না তখন তৃণমূলের লোকেরা শোনে আবার মুখ্যমন্ত্রী অন্য দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেলে ফের গুন্ডাগিরি, সন্ত্রাসবাহিনী নিয়ে সন্ত্রাস, সিন্ডিকেটবাজি করে বেড়ায়। আবার নতুন করে বালি নিয়ে চোরা কারবার শুরু হয়েছে। আর তাতে মদত দেয় পুলিশ। বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুরে এক জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে একহাত নিয়ে বলেন, ১৯৫৫ সালের সময় পুলিশকে নিয়ে গর্ভ হত, তাদের স্কটল্যান্ডের সঙ্গে তুলনা করা হত। আর এখন পুলিশ হপ্তা তুলতে ব্যস্ত, পকেট ভরতে ব্যস্ত। আর তাতে ভাগীদার তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। পাশাপাশিবীরভূমে দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল বিরোধী দলদের হুমকি দিয়েছিলেন চোখ তুলে নিয়ে পাথরের চোখ লাগিয়ে দেওয়ার। আর এরপরই বিরোধী দলগুলির মধ্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।এই প্রসঙ্গে বর্ধমানে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,যদি অনুব্রত বাবু চোখ তুলে পাথরের চোখ লাগানোর কথা ভাবেন তাহলে সেটি হবে না, পাথরের জায়গায় অনুব্রত মণ্ডলের চোখ লাগানো হবে।জয় বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ভাগ্যিস সিপিএম কটা খুন করেছে তার কথা বলেছেন আর যদি বিজেপির কথা বলত তাহলে এবার আর বিজেপিরা চুপ থাকত না। কারণ এটা হল ২০১৭-২০১৮ এর বিজেপি ২০১৫-২০১৬ এর নয়। বিজেপির দিকে হাত বাড়ালে তাঁর হাত ভেঙ্গে, মুচড়ে দেওয়া হবে।পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডল নাকি জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা বলে দাবী করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে ফোন করে গুরু গুরু বলে সম্বোধন করেন। তবে জয় বাবু বলেন, তিনি কোনও দিনই তাঁকে ফোন করেননি। যদি তাঁর ফোনে কললিস্টে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নম্বর দেখাতে পারে তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন।
জয় বলেন, তিনি দুইজন মানুষকেই গুরু বলে মনে করেন, এক নরেন্দ্র মোদী ও দ্বিতীয় অমিতাভ বচ্চন। পাশাপাশি জয় বলেন,ধর্মতলায় রানী রাসমণি রোডে সদ্য দলত্যাগী মুকুল রায় তৃণমূলকে নিয়ে একের পর এক ধামাকা ফাঁটিয়েছিলেন বিজেপি জনসভাতে।গোপন ফাইল নিয়ে অভিযোগের তির মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। আর এরপরই গেরুয়া শিবিরের নেতা নেত্রীরা মুকুল রায়ের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধছেন। বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় এক জনসভায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে পদ ছেড়ে সিনেমা, নাচাগানা করতে। তাতেই ওনাকে ভালো মানাবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ হল একজন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার। ফলে তিনি ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া মানুষদের না বাঁচিয়ে তিনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল করে চলেছেন। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে বলেন, কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছেন ভাইপো, পিসি মিলে। তার প্রমাণও কাল মিলেছে ফলে বোঝাই যাচ্ছে কিভাবে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করছেন তারা।
অন্যদিকেসদ্য বিজেপিতে আগত মুকুল রায় বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ২০১৩ সালে বিশ্ব বাংলা সৃষ্টি করেছিলেন।তাহলে কেন ১৩ তারিখ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম পরিবর্তন করা হল? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অন্য কথা বলছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন রাজ্য সরকারকে লোগো দিয়েছি। তাহলে চুক্তিপত্রের কপি কোথায়? সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়লেন মুকুল রায়। ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চুক্তিপত্র কিভাবে আবেদন করেন? এই বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। মুকুল বলেন, নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। এর তদন্ত হওয়া উচিত। পুরুলিয়ায় এক ছেলেকে থানায় ডেকেছেন। তারপর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজা মহারাজাদের খুশি করতেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। বাংলায় গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। পুলিশরাজ চলছে। বিজেপি তদন্ত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা রিজয়ানুকে মনে করে না হাজার হাজার লোক মারা গেছে তাদের আর মনে নেই।
পশ্চিমবঙ্গের মতন এমন রাজনৈতিক খেলা কোথাও দেখেননি মুকুল বাবু। বাংলার মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। একজন ভদ্রলোককে থানায় ডেকে বলছেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয় এর মোবাইল টাওয়ার এক জায়গায় পাওয়া গেছে। তার প্রমাণও মুকুল বাবুর কাগজে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসল জানেন বিশ্ব বাংলার লোগোর মালিক কে?


No comments:
Post a Comment