গৌরব দেবনাথ,অশোকনগরঃ মর্মান্তিক ঘটনাটি অশোকনগর পৌরসভার তেইশ নম্বর ওয়ার্ডের বনবনিয়া এলাকার। অশোকনগর পৌরসভার গ্রুপ ডি পদে কর্মরত ছিল পরিতোষ হালদার। বছর খানেক ধরে স্ত্রী রান্নার কাজ করতে গিয়ে স্বজল সরকার নামে এক ব্যক্তির সাথে প্রনয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এই নিয়ে দুজনের ভেতর মাঝে মাঝেই অশান্তি হতো বলে জানায়েছেন তাদের এক মাত্র সন্তান প্রিয়া হালদার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। বুধবার স্ত্রী চন্দনা হালদার ফোনে কথা বলা নিয়ে দুজনের মধ্যে অশান্তি হয়। তারপরেই পরিতোষ স্বজলের কাছে যায় তাদের ভেতর এই অশান্তির কথা বলতে। স্বজল তখন পরিতোষের কাছে তাদের দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ও তাদের ভেতর শারিরীক সম্পর্ক আছে বলে যানায়। এই কথা সহ্য করতে না পেরে পরিতোষ বুধবার বিকেলে বাড়ি ফিরে এসে ঘরে কেই না থাকার সুযোগ নিয়ে বিষ তেল খেয়ে নেয়। প্রতিবেশী একজন দেখে ফেলায় সাথে সাথে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে আরজিকর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায় পরিতোষ হালদার ৪৫। এই ঘটনায় পরিতোষের বাবা ও মেয়ে মায়ের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। স্ত্রী চন্দনার অবৈর্ধ সম্পর্কের জন্যই মরতে হয়েছে তাকে। মেয়ে প্রিয়া হালদারের দাবি তার মা যানি কঠিন শাস্ত্রি পায় নইলে তাকেও মেরে ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই ঘটনায় পরিতোষের পরিবার অশোকনগর পুলিশের দ্বারস্হ হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গৌরব দেবনাথ,অশোকনগরঃ মর্মান্তিক ঘটনাটি অশোকনগর পৌরসভার তেইশ নম্বর ওয়ার্ডের বনবনিয়া এলাকার। অশোকনগর পৌরসভার গ্রুপ ডি পদে কর্মরত ছিল পরিতোষ হালদার। বছর খানেক ধরে স্ত্রী রান্নার কাজ করতে গিয়ে স্বজল সরকার নামে এক ব্যক্তির সাথে প্রনয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এই নিয়ে দুজনের ভেতর মাঝে মাঝেই অশান্তি হতো বলে জানায়েছেন তাদের এক মাত্র সন্তান প্রিয়া হালদার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। বুধবার স্ত্রী চন্দনা হালদার ফোনে কথা বলা নিয়ে দুজনের মধ্যে অশান্তি হয়। তারপরেই পরিতোষ স্বজলের কাছে যায় তাদের ভেতর এই অশান্তির কথা বলতে। স্বজল তখন পরিতোষের কাছে তাদের দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ও তাদের ভেতর শারিরীক সম্পর্ক আছে বলে যানায়। এই কথা সহ্য করতে না পেরে পরিতোষ বুধবার বিকেলে বাড়ি ফিরে এসে ঘরে কেই না থাকার সুযোগ নিয়ে বিষ তেল খেয়ে নেয়। প্রতিবেশী একজন দেখে ফেলায় সাথে সাথে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে আরজিকর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। বৃহস্পতিবার সকালে মারা যায় পরিতোষ হালদার ৪৫। এই ঘটনায় পরিতোষের বাবা ও মেয়ে মায়ের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। স্ত্রী চন্দনার অবৈর্ধ সম্পর্কের জন্যই মরতে হয়েছে তাকে। মেয়ে প্রিয়া হালদারের দাবি তার মা যানি কঠিন শাস্ত্রি পায় নইলে তাকেও মেরে ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই ঘটনায় পরিতোষের পরিবার অশোকনগর পুলিশের দ্বারস্হ হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

No comments:
Post a Comment