মুকুল রায়ের ফাইল প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের একের পর এক গোপন তথ্য প্রকাশ হচ্ছে। বিশ্ব বাংলা থেকে জাগো বাংলা সবেতেই কর্ণধার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তা তাঁর গোপন ফাইলে প্রমাণ সহ দেখিয়েছেন। আর এরপর থেকেই বিজেপির নেতা নেত্রীরা আরও সরব হয়েছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মুর্শিদাবাদে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, মুকুল রায় যেভাবে একের পর এক ফাইল বের করছেন তা দল টিকিয়ে রাখাই দায় হয়ে চলেছে। পঞ্চায়েত ভোট পর্যন্ত তৃণমূল টিকে থাকে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেন গেরুয়া দলের দাপুটে নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এবার মুকুল রায়ের ফাইল কালীঘাট অবধি চলে যাবে ফলে মুখ্যমন্ত্রী সভা করে করে বলবেন সবাই একএিত হোন। আর তা শুরুও হয়ে গেছে। সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান করছেন তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা। কারণ তারা জানেন আর বেশি দিন নেই এই পার্টি। মুকুল রায় তৃণমূল দলকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বের করেই ছাড়বেন। এমনই আস্থা অনুমান করা গেল বিজেপি নেতা জয়ের সুর থেকে। রবিবার ওই বৈঠকে বলেন, সারদা নারদা করে যত টাকা নিয়েছে মেয়র সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতা মন্ত্রীরা তাদের সভার ঘরে এখন অশান্তি টাকা নিয়ে। কারণ আর তাঁরা টাকা জোগাড় করতে পারছেন না। নরেন্দ্র মোদী সব বন্ধ করে দিয়েছেন ফলে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের এখন স্ত্রী ত্যাগের সময় হয়ে উঠেছে।
পাশাপাশি জয়বাবু অধীর চৌধুরীকে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করার আহ্বান করেন। তিনি বলেন, অধীরবাবুর মতন লোক হন না, তিনি পরোপকারী।যারা পরোপকারী তাদের অবশ্যই মোদীজির নেতৃত্বের প্রয়োজন।
এদিন জয় ব্যানার্জী পদ্মাবতী বলিউড সিনেমা রিলিজ হওয়া নিয়ে বলেন, পদ্মাবতী সিনেমা নির্দিষ্ট ধর্ম নিয়ে তৈরি করা যা উচিত না। তাঁর মতে, সব ধরনের ধর্ম নিয়েই সিনেমা রচিত করা উচিত যা পদ্মাবতীর প্রোডিউসার করেননি।জয় চান এই সিনেমা যাতে দেশ থেকে ব্যান হয়ে যায়। যদিও এই সিনেমা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো আপত্তি নেই বলে জানা গিয়েছে।
No comments:
Post a Comment