সবার শিক্ষা সবার অধিকার। এটি নিতান্তই প্রবাদ বাক্য এই স্কুলের পড়ুয়াদের কাছে। বগদার শিন্দ্রানী ,পঞ্চায়েতের পুস্তিঘাটা ফকির চাঁদ জুনিয়ার হাইস্কুল। ২০১৪ সালে জানুয়ারি মাসে চাষি প্রধান মহল্লার গরিব পরিবারের ছেলে মেয়েদের শিক্ষার লক্ষ্যে এই স্কুলটি তৈরি করা হয়। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি তিনটি ক্লাস, দুজন স্থায়ি ও দুজন এলাকার যুবক দিয়ে শুরু হয় স্কুলটি। কিন্তু তিন বছের কেটে যাওয়ার পরে ও তৈরি হয়নি শিক্ষার সাস্থকর পরিবেশ। এক কমরার একটি ঘরে তিনটি ক্লাসে শতাধিক পড়ুয়া। ঘরের অভাবে পঠন পাঠন চলে পাশের বাগানে ও গ্রামের লোকের তৈরি করে দেওয়া চালাঘরে। এ রাজ্যে গ্রীষ্মের ছুটি প্রচালিত আছে। কিন্তু এই স্কুলের পড়ুয়াদের তিনটি ঋতুতে ছুটি দিয়ে দিতে হয় শিক্ষকদের গ্রস্মের রোদ-গরম, বর্ষার একটু বৃষ্টিতে খোলা আকাশের পঠন পাঠন শিকেয় উঠে। বার বার বি.ডি.ও কে জানিয়ে ও কোন সুরাহা হয়নি বলে যানান শিক্ষকেরা। স্কুল নিয়ে কোন হেল দোল নেই কারো ।
দরিদ্র পরিবারের এই পড়ুয়াদের দূরের একটু ভালো স্কুলের পাঠানোর মত সামর্থ্য নেই অভিভাবকদের। ফলে একটু শিক্ষার জন্য হাজার প্রতিকুলতার মধ্যদিয়ে পড়াশুনা চালাতে হচ্ছে শিক্ষক থেকে পড়ুয়া সকলেরই। শিক্ষকরা ছাত্র ছাত্রি দের অভিভাবক দের বুঝিয়ে স্কুলে আনে ছাত্রদের এবং ভর্তির জন্যও অনুরোধ করে যাতে ইস্কুল টি উঠে না যায়, আগামী বছর থেকে শুরু হবে আষ্টম শ্রেণীর ক্লাস বারবে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা। তখন যে কি ভাবে চলবে পঠন পাঠন ভেবে পাচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক সুবল বাবু।
অন্য দিকে নিজেদের পড়াশুনা চালানোর জন্য ঘরের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় পড়ুয়ারা।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুবল চন্দ্র বাগচি যানান এই স্কুল বন্ধ হলে প্রায় সকল পড়ুয়ারা স্কুল ছুট হয়ে পরবে। দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়ে এরা। বাবা মায়ের সঙ্গে মাঠে কাজ করে পড়াশুনা করতে হয়। দূরের স্কুলে পাঠানোর মত ক্ষমতা নেই এই মহল্লার অভিভাবকদের।
দরিদ্র পরিবারের এই পড়ুয়াদের দূরের একটু ভালো স্কুলের পাঠানোর মত সামর্থ্য নেই অভিভাবকদের। ফলে একটু শিক্ষার জন্য হাজার প্রতিকুলতার মধ্যদিয়ে পড়াশুনা চালাতে হচ্ছে শিক্ষক থেকে পড়ুয়া সকলেরই। শিক্ষকরা ছাত্র ছাত্রি দের অভিভাবক দের বুঝিয়ে স্কুলে আনে ছাত্রদের এবং ভর্তির জন্যও অনুরোধ করে যাতে ইস্কুল টি উঠে না যায়, আগামী বছর থেকে শুরু হবে আষ্টম শ্রেণীর ক্লাস বারবে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা। তখন যে কি ভাবে চলবে পঠন পাঠন ভেবে পাচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক সুবল বাবু।
অন্য দিকে নিজেদের পড়াশুনা চালানোর জন্য ঘরের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় পড়ুয়ারা।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুবল চন্দ্র বাগচি যানান এই স্কুল বন্ধ হলে প্রায় সকল পড়ুয়ারা স্কুল ছুট হয়ে পরবে। দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়ে এরা। বাবা মায়ের সঙ্গে মাঠে কাজ করে পড়াশুনা করতে হয়। দূরের স্কুলে পাঠানোর মত ক্ষমতা নেই এই মহল্লার অভিভাবকদের।





No comments:
Post a Comment