এবার রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া সল্টলেকেও৷ মারা যাওয়ার পরও মায়ের দেহ সৎকার না করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে৷ বরং তিনদিন ধরে ঘরের মধ্যেই সেই দেহ আগলে বসেছিলেন ছেলে৷ রবিবার দুর্গন্ধ বের হওয়ায় বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে আসে৷ তাঁরাই পুলিশকে খবর দেন৷ পরে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে৷ পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ছেলেটিকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই মনে করা হচ্ছে৷ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সল্টলেকের করুণাময়ী আবাসনে থাকেন ইন্দ্রনীল মুখোপাধ্যায়৷ তাঁর সঙ্গে থাকতেন তাঁর মা রঞ্জনা মুখোপাধ্যায়৷ গত কয়েকদিন ধরে দু’জনকে কেউ দেখেননি বলে দাবি করেছেন প্রতিবেশীরা৷ কিন্তু রবিবার সকালে আবাসন চত্বরে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে৷ তা থেকেই সন্দেহ হয় বাসিন্দাদের৷
তাঁদের বক্তব্য, গন্ধের উৎস সন্ধান করতে গিয়ে তাঁরা পৌঁছে যান ইন্দ্রনীলের ফ্ল্যাটে৷ সেখানে গিয়ে প্রতিবেশীরা দেখেন ঘরে পড়ে রয়েছে রঞ্জনাদেবীর মৃতদেহ৷ প্রতিবেশীদের দাবি, প্রথমে এ নিয়ে মুখ খুলতে চাইছিলেন না ইন্দ্রনীল৷ পরে জানান তিনদিন আগে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে৷ তবে কেন তিনি মায়ের মৃতদেহ সৎকার করেননি, সে বিষয়ে অবশ্য প্রতিবেশীদের কাছে সদুত্তর দিতে পারেননি৷
স্থানীয়রাই সঙ্গে সঙ্গে বিধাননগর পূর্ব থানায় খবর দেন৷ ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ৷ তারা রঞ্জনা মুখোপাধ্যায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে৷ পুলিশ ইন্দ্রনীলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে রঞ্জনাদেবীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও সঠিক সময় জানার চেষ্টা করছে ৷

No comments:
Post a Comment