রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের ভাইপো,ভাইঝি সহ সবাই কালো টাকা কামাতে পারছেন না, কালো টাকাকে সাদা করতে হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর খুব কষ্ট হচ্ছে তাই ৮ই নভেম্বর তিনি কালা দিবস পালন করছেন রাজ্যজুড়ে। এমনটাই দাবি বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের।বুধবার বিজেপির এক জনসভায় বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় কালা দিবস কেন পালন করছেন তৃণমূলরা তার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন,১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীকে কমিশনার বলেন নোটবন্দী করাতে তা নাহলে অর্থনৈতিক সমস্যা প্রকট হয়ে দাঁড়াবে। কিন্ত তখন ইন্দিরা গান্ধী বলেন, না যদি নোটবন্দী করানো হয় তাহলে তাঁর চেয়ার নিয়ে সমস্যা দেখা যাবে।জনগণের যা ক্ষতি হওয়ার হোক কিন্ত চেয়ার ছাড়া যাবে না। কিন্ত ২০১৭ সালে বিজেপি সুদক্ষ রাজনীতিবিদ্, শুভবুদ্ধিপরায়ণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয় তাঁর নিজের চেয়ারের চিন্তা না করেই রাতারাতি নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করেন।আর পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূলের চ্যালা শাগরেদরা কালা দিবস পালন করছেন কারণ কালো লোকেরাই কালা দিবস পালনে ব্যস্ত।সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সমস্যা সৃষ্টি করেছেন।নোটবন্দীর বিরোধিতা করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়ে বলেন, দিদি কিছুতেই ভুলতেই পারছেন না কালো টাকার কথা তাই একবছর পরে হঠাৎ মাথায় এসেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছে না বিজেপির তাই নোটবন্দীর এক বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও হঠাৎই চাড়া দিয়ে উঠেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন মুকুল রায় ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। তিনি জানেন, মুকুল বাবু তৃণমূলের মত বিজেপিকে ও পাক্কা করে তুলবেন।
জয় বাবু মোদীজির প্রশংসা করে বলেন, নরেন্দ্র মোদী যখন বাইরের দেশের এক সভাতে গিয়েছিলেন তখন তাঁকে আলাদা মর্যাদা দিয়ে বরণ করে মঞ্চে উঠিয়েছিলেন তারা। কেনকি একমাত্র নরেন্দ্র মোদীজিই ছিলেন যে গরীব থেকে শুরু করে নারী জাতির দু:খ বুঝেছিলেন। তাই তিনি ঘরে ঘরে শৌচালয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন, যাতে ভোরে মাঠে গিয়ে শৌচ না করতে হয়।এছাড়াও গ্রামের প্রতিটি ঘরে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস এনে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, গুজরাত সহ অন্যান্য রাজ্যগুলিতে এদিন নোটবন্দীর এক বছর পূর্তিতে প্রতিবাদমুখর হয় কংগ্রেস, আম আদমী পার্টি সহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।
No comments:
Post a Comment