নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মুর্শিদাবাদ থানার লালবাগে একটি হোটেল থেকে উদ্ধার এক ব্যক্তির রক্তাত্ব মৃতদেহ। আজ সকালে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ হোটেল থেকে উদ্ধার করে কায়েক সেখ নামে ব্যক্তির মৃতদেহ , সুত্রের খবর গত ৫ তারিখে বহরমপুর থানার বাজার পাড়ার বাসিন্দা কায়েক সেখ ও তার সঙ্গে একই এলাকার রাজু সেখ নামে এক ব্যক্তি ও আদুরী খাতুন(২০) নামে এক যুবতী লালাবগের গোল্ডেন প্যালেস নামে এক হোটেলে আসেন, সেখানে কিছুক্ষণ কাটাবার পর রাজু ও আদুরী সেখান থেকে চলে যায়। বহরমপুর থানার কায়েক সেখের মিসিং ডাইরি করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ রাজু ও আদুরীকে আটক করে পুলিশ তাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে লালবাগের এই হোটেলের খবর জানতে পারে। আজ সকালে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ তাদের সঙ্গে করে নিয়ে গিয়ে হোটেলের ঘোরের ভেতরে থেকে কায়েক সেখের মৃতদেহ উধার করে। কায়েক সেখ, রাজু ও আদুরী যে গাড়ি করে হটেলে এসেছিল সেই গাড়িটিও উদ্ধার হয় মুর্শিদাবাদ থানার হুলাস পুর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে। মৃতদেহটি লালাবাগ মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠান হয়েছে। মৃত ব্যক্তি রাধার ঘাট ওয়ান পঞ্চায়েতের তৃণমূলের মেম্বার বলে জানা গেছে পরে। মৃতের আত্মীয়রা ব্যাপক ভাঙ্গচুর চালায় হোটেলে। হোটেলে আগুন লাগিয়ে, তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙ্গচুর চালায় তারা। জেলা তৃনমূলে মুখপাত্র অশক দাস জানান এই খুনের পেছনে কংগ্রেস ও সিপিএম এর হাত রয়েছে। সামনে পঞ্চায়েত ভো্ট, নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে তারা খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। অন্য দিকে প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র জয়ন্ত দাস জানায় তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু, তাদের নেতাদের উৎশৃঙ্খল জীবন যাপন এই মৃত্যুর জন্য দায়ী। কংগ্রেস ও সিপিএম কে ভয় পাবার কিছু নেই। কংগ্রেস ও সিপিএম তৃণমূলের শত্রু নয়। তারা নিজেরাই নিজেদের শত্রু।
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মুর্শিদাবাদ থানার লালবাগে একটি হোটেল থেকে উদ্ধার এক ব্যক্তির রক্তাত্ব মৃতদেহ। আজ সকালে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ হোটেল থেকে উদ্ধার করে কায়েক সেখ নামে ব্যক্তির মৃতদেহ , সুত্রের খবর গত ৫ তারিখে বহরমপুর থানার বাজার পাড়ার বাসিন্দা কায়েক সেখ ও তার সঙ্গে একই এলাকার রাজু সেখ নামে এক ব্যক্তি ও আদুরী খাতুন(২০) নামে এক যুবতী লালাবগের গোল্ডেন প্যালেস নামে এক হোটেলে আসেন, সেখানে কিছুক্ষণ কাটাবার পর রাজু ও আদুরী সেখান থেকে চলে যায়। বহরমপুর থানার কায়েক সেখের মিসিং ডাইরি করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ রাজু ও আদুরীকে আটক করে পুলিশ তাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে লালবাগের এই হোটেলের খবর জানতে পারে। আজ সকালে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ তাদের সঙ্গে করে নিয়ে গিয়ে হোটেলের ঘোরের ভেতরে থেকে কায়েক সেখের মৃতদেহ উধার করে। কায়েক সেখ, রাজু ও আদুরী যে গাড়ি করে হটেলে এসেছিল সেই গাড়িটিও উদ্ধার হয় মুর্শিদাবাদ থানার হুলাস পুর এলাকার একটি জঙ্গল থেকে। মৃতদেহটি লালাবাগ মহকুমা হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠান হয়েছে। মৃত ব্যক্তি রাধার ঘাট ওয়ান পঞ্চায়েতের তৃণমূলের মেম্বার বলে জানা গেছে পরে। মৃতের আত্মীয়রা ব্যাপক ভাঙ্গচুর চালায় হোটেলে। হোটেলে আগুন লাগিয়ে, তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙ্গচুর চালায় তারা। জেলা তৃনমূলে মুখপাত্র অশক দাস জানান এই খুনের পেছনে কংগ্রেস ও সিপিএম এর হাত রয়েছে। সামনে পঞ্চায়েত ভো্ট, নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে তারা খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। অন্য দিকে প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র জয়ন্ত দাস জানায় তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু, তাদের নেতাদের উৎশৃঙ্খল জীবন যাপন এই মৃত্যুর জন্য দায়ী। কংগ্রেস ও সিপিএম কে ভয় পাবার কিছু নেই। কংগ্রেস ও সিপিএম তৃণমূলের শত্রু নয়। তারা নিজেরাই নিজেদের শত্রু।

No comments:
Post a Comment