ভদ্রেশ্বরের পুরপ্রধান খুনের মূল টিপার কি পুরপ্রধানের বাইকের চালক? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 26 November 2017

ভদ্রেশ্বরের পুরপ্রধান খুনের মূল টিপার কি পুরপ্রধানের বাইকের চালক?



কলকাতা ডেক্স, ২৬ নভেম্বর :  ভদ্রেশ্বরের পুরপ্রধান মনোজ উপাদ্ধ্যায় খুনের মূল টিপার কি পুরপ্রধানের বাইকের চালক? অন্তত এমনটাই ধারনা পুলিশ কর্তাদের একাংশের। এই বিষয়টি নিয়ে হুগলির পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। পুলিশ কর্তাদের একাংশের অনুমান, চেয়ারম্যান খুনের ঘটনায় পুলিশ কর্তারা নিজেদের পিঠ বাঁচাতে তাদের মত করে গল্প ফেঁদেছেন। পুলিশের এই গল্পের সঙ্গে অভিঞ্জ পুলিশ কর্তাদের অনুমান মিলছে না। অভিঞ্জ পুলিশ কর্তাদের অনুমান, চেয়ারম্যান খুনের ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে ৫থেকে ৭জনের বেশি দূষ্কৃতী ছিলনা। কারন, একটা অপরেশন করে পালাবার সময় এক সাথে ১৫-২০জন থাকলে পালানোর সময় বড় বিপত্তি ঘটতে পাড়ে। পালাবার সময় কেউ ধরা পড়ে যাবার প্রবল সম্ভবনা তৈরি হয়ে থাকতে পাড়ে। সেই কারনে পুলিশের অনুমান ঘটনার দিন ঘটনাস্থলে ৫-৭জন দুষ্কৃতী ছিল। সেই কারনেই অপরেশন সফল করে সেখান থেকে তারা নির্বিঘ্নেই বেড়িয়ে যেতে পেড়েছেন।

পুলিশ কর্তাদের একাংশের দাবী চেয়ারম্যানের বাইকের চালককে চাপ দিলেই এই খুনের ঘটনার প্রকৃত কারন বেড়িয়ে আসবে। পুলিশ সূত্রে খবর, চেয়ারম্যানের বাইকের চালককে কোনও অদৃশ্য শক্তি আড়াল করার চেষ্টা করছেন। না হলে ঘটনার দিন চেয়ারম্যান খুন হলে চালকেরও বেঁচে থাকার কথা নয়। এই খুনের ঘটনায় পুলিশ কর্তাদের একাংশের বক্তব্য, বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে কোনও নেতা কোথাও গেলে সেই নেতার দেহরক্ষী কিম্বা তার বিশ্বস্ত অনুগামী একটা ভুমিকা থাকে। সেটা হল কোনও নেতা কিম্বা পুলিশ আধিকারিকরা গাড়ি থেকে নেমে গেলে পেছন পেছন তার দেহরক্ষী কিম্বা তার অনুগামীও সেখানে যায়। অথবা গাড়ি রেখে ওই অনুগামী অথবা দেহরক্ষী নেতার পেছন পেছন গিয়ে ওই ব্যাক্তিদের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে সেটা হয়নি। অপর দিকে পুলিশ কর্তাদের ধারনা, গোটা ঘটনাটিই পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। এমনও হতে পারে, ঘটনার দিন গাড়িতে চেপে যাবার সময় দুষ্কৃতীরা তাদের পথ আটকে ছিলতারপর চেয়ারম্যানের বাইকের চালকে সড়িয়ে দিয়ে অপরেশন করে যে যার মত বেড়িয়ে যায়। এরপর চেয়ারম্যানের বাইক চালক নিজের মত করে গল্প ফেঁদে পুলিশে জানায়। পুলিশ কর্তাদের অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে যদি ওই চালকের যোগ সূত্র না থাকত। তবে ঘটনার দিনই চেয়ারম্যানের সঙ্গে সঙ্গেই চালকও খুন হয়ে যেত।

চেয়ারম্যান গুলিতে ঝাঁজরা হল। আর চালক দূষ্কৃতীদের চিনতে পেড়ে লোকজন ডাকতে পালিয়ে গেল। দুষ্কৃতীরা তাকে লক্ষ করে একটিও গুলিও করল না? চালক খুনিদের চিনে নিল অথচ দুষ্কৃতীরা তাকে পালাতে দিল? এই জায়গা থেকেই অভিঞ্জ পুলিশ কর্তাদের সন্দেহ আরও প্রবল হয়েছে বলে পুলিশ কর্তাদের দাবী। পাশাপাশি এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে না পেড়ে ব্যার্থতা ঢাকতে বিরোধী দল তথা বিজেপির কর্মকর্তা ও নিরিহ মানুষজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ নিজেদের পিঠ বাঁচাতে চাইছেন বলে পুলিশ কর্তাদের একাংশের দাবী।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad