কলকাতা ডেক্স, ২৬ নভেম্বর : কার পিঠ বাঁচাতে পুলিশ কর্তাদের বলির পাঠা
বানানো হল? ভদ্রেশ্বরের চেয়ারম্যান
খুনের ঘটনায় পুলিশ কর্তাদের বদলির ঘটনায় বিস্তর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
চেয়ারম্যান খুনের দুদিন কাটতে না কাটতেই চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার পীষূষ পান্ডের
বদলি ও তেলেনীপাড়া ফাঁড়ির ওসিকে সাসপেন্ড করার ঘটনা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে
পুলিশ মহলে।
হুগলির পুলিশ
মহলের পদস্ত কর্তাদের একাংশের অভিযোগ, চেয়ারম্যান খুনের ঘটনায় ভদ্রেশ্বর থানার
পদস্ত পুলিশ কর্তার দোষ ঢাকতে তেলেনিপাড়া ফাঁড়ির ওসি প্রদীপকুমার দাসকে বধ করা
হয়েছে। পাশাপাশি চেয়ারম্যান খুনের ঘটনায় ব্যার্থতার অভিযোগে চন্দননগরের পুলিশ
কমিশনার পীষূষ পান্ডেকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে। এই দুটি ঘটনা নিয়ে হুগলির পুলিশ
মহলে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
পুলিশ কর্তাদের
একটি অংশের অভিযোগ, চেয়ারম্যান খুনের ব্যার্থতার দায় একা কেন তেলেনীপাড়া ফাঁড়ির
ওসির প্রদীপকুমার দাসের হবে? এই দায় ভদ্রেশ্বর থানার ওসি ও চন্দননগর পুলিশ
কমিশনারেটের এসিপি ডিডির হবে না কেন? তেলেনীপাড়া ফাঁড়ির ওসি প্রদীপকুমার দাস কি
একাই সরকারী বেতন ভোগ করেন? পুলিশ কমিশনারেটের বাকি আধিকারিকরা কি সরকারী বেতন ভোগ
করেন না? কমিশনারেটের সমস্ত ব্যার্থতা কি শুধু ফাঁড়ির ওসি কিম্বা পুলিশ কমিশনারের?
বাকি পুলিশ কর্তাদের কোনও দায়িত্ব নেই?
একই সঙ্গে পুলিশ কমিশনার কি ভদ্রেশ্বর
থানার ওসির চেয়ারে গিয়ে বসে সমস্ত কাজ সামলানোর কথা? তবে কেন কমিশনারেটের ডিডি সহ
একাধিক বিভাগে পুলিশের পদস্ত কর্তাদের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? গোটা বিষটায়
কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের ব্যার্থতার দায় কেন একজন ফাঁড়ির ওসির ওপর গিয়ে
বর্তাল। প্রশ্ন উঠছে এই বিষয়টি নিয়েও।



No comments:
Post a Comment