গৌরব দেবনাথ,হাবড়াঃ বয়স কালে বৃদ্ধা মা বাবা যে বোঝা হয়ে যায় সন্তানের কাছে তা আজকের দিনে অনেক ছবি উঠে এসেছে বহুবার । কিন্তুু হাবড়া হাসপাতালের এই ছবি বিরল। বৃদ্ধার বয়স আনুমানিক সত্তরের ও বেশি । বাদ্ধর্কের জন্য এখন হাসপাতালের বেড তার ঠিকানা । হাসপাতালের সুপার শঙ্কর লাল ঘোষ জানান দিন চৌদ্দ আগে হাবড়া উচু আমতলার দুই মহিলা রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে ওই মহিলাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে বৃদ্ধাকে। হাসপাতালের সুপারের কথা অনুযায়ি বৃদ্ধা ওই দুই মহিলাকে নাকি জানিয়েছেন তিনি একজনের বাড়িতে কাজ করতেন অসুস্থ হওয়ার পরে তাকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছেন। তারপরেই রাস্তার পাশে ঠাই হয় বৃদ্ধার। বৃদ্ধাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তার কাছে থাকা একটি ব্যাগের ভেতর থেকে সোনার চেন সহো কানের নাকের ও আংটি সহো একটি ডাইরি পাওয়া যায়। ডাইরি ঘেটে একটি ফোন নাম্বার পাওয়া গেলে তার সাথে যোগাযোগ করলে বৃদ্ধার সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে চায়না বলে ফোন কেটে সুইচ অফ করে দেয়। এই মুহুর্তে বৃদ্ধার শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার দরুন চিকিত্সকরা চিন্তিত । বৃদ্ধার লিভারে জল জমেছে বলে জানতে পেরেছে হাসপাতালের ডাক্তারা। কিন্তুু হাবড়া হাসপাতালে এই জটিল রোগের কোন চিকিৎসা নেই কি করবেন তারা ভেবে উঠতে পারছেন না। বৃদ্ধার সমস্ত সোনার গহনা হাবড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বৃদ্ধার অবস্থা স্থিতিশীল। বৃদ্ধার এখন পর্যন্ত কোন নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের পক্ষ থেকে তার পরিবারের খোঁজ চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
গৌরব দেবনাথ,হাবড়াঃ বয়স কালে বৃদ্ধা মা বাবা যে বোঝা হয়ে যায় সন্তানের কাছে তা আজকের দিনে অনেক ছবি উঠে এসেছে বহুবার । কিন্তুু হাবড়া হাসপাতালের এই ছবি বিরল। বৃদ্ধার বয়স আনুমানিক সত্তরের ও বেশি । বাদ্ধর্কের জন্য এখন হাসপাতালের বেড তার ঠিকানা । হাসপাতালের সুপার শঙ্কর লাল ঘোষ জানান দিন চৌদ্দ আগে হাবড়া উচু আমতলার দুই মহিলা রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে ওই মহিলাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে বৃদ্ধাকে। হাসপাতালের সুপারের কথা অনুযায়ি বৃদ্ধা ওই দুই মহিলাকে নাকি জানিয়েছেন তিনি একজনের বাড়িতে কাজ করতেন অসুস্থ হওয়ার পরে তাকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছেন। তারপরেই রাস্তার পাশে ঠাই হয় বৃদ্ধার। বৃদ্ধাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তার কাছে থাকা একটি ব্যাগের ভেতর থেকে সোনার চেন সহো কানের নাকের ও আংটি সহো একটি ডাইরি পাওয়া যায়। ডাইরি ঘেটে একটি ফোন নাম্বার পাওয়া গেলে তার সাথে যোগাযোগ করলে বৃদ্ধার সাথে কোন সম্পর্ক রাখতে চায়না বলে ফোন কেটে সুইচ অফ করে দেয়। এই মুহুর্তে বৃদ্ধার শারীরিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার দরুন চিকিত্সকরা চিন্তিত । বৃদ্ধার লিভারে জল জমেছে বলে জানতে পেরেছে হাসপাতালের ডাক্তারা। কিন্তুু হাবড়া হাসপাতালে এই জটিল রোগের কোন চিকিৎসা নেই কি করবেন তারা ভেবে উঠতে পারছেন না। বৃদ্ধার সমস্ত সোনার গহনা হাবড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বৃদ্ধার অবস্থা স্থিতিশীল। বৃদ্ধার এখন পর্যন্ত কোন নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের পক্ষ থেকে তার পরিবারের খোঁজ চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
No comments:
Post a Comment