অজানা জ্বরে আক্রান্ত উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত, দেগঙ্গা, হাবড়া, বসিরহাট, বাদুড়িয়া সহ বিভিন্ন এলাকা। এর মধ্যে দেগঙ্গা, বাদুড়িয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। জ্বরে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুও হয়েছে। এরপই নড়ে চড়ে জেলা প্রশাসন থেকে স্বাস্থ্য দপ্তর সহ সকলে। রাজ্য সরকার বিঞ্জপ্তি জারি করেছে সব জ্বরের রোগীকে মসারির মধ্যে রাখতে হবে। তাই রবিবার জ্বরে আক্রান্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলী ঘোষদোস্তিদার। পাশাপাশি তিনি প্রায় ১০০বেশি মসারি দিলেন বারাসাত হাসপাতাল বিতরণ করেন। সেই সঙ্গে চাকলা, বিশ্বনাথপুর, দেগঙ্গা, কোলশুর, শোয়াইসেতপুরের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েও মশারি বিতরন করেন। এই মসারি গুলি বিভিন্ন গরীব মানুষ কে দেওয়া হয়। সাংসদের এই ধরনের পদক্ষেপে খুশি এলাকার মানুষ। এদিন সাংসদ কাকলি দেবী জানান, প্রতি বছরে এই সময় নিজস্ব উদ্যোগে কোম্বল ও গরম পোষাক দরিদ্র মানুষকে দিয়ে থাকি। এবার যেহেতু মশা ববাহিত ভাইরাস ঘটিত জ্বরে বহু মানুষ আক্রান্ত সেকারনে এদিন প্রথম দফায় প্রায় ৫০০ মশারি ও কিছু কম্বল বিতরণ করলাম। পরে আরও মশারি বিতরণ করবো সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে।
অজানা জ্বরে আক্রান্ত উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত, দেগঙ্গা, হাবড়া, বসিরহাট, বাদুড়িয়া সহ বিভিন্ন এলাকা। এর মধ্যে দেগঙ্গা, বাদুড়িয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। জ্বরে বেশ কয়েক জনের মৃত্যুও হয়েছে। এরপই নড়ে চড়ে জেলা প্রশাসন থেকে স্বাস্থ্য দপ্তর সহ সকলে। রাজ্য সরকার বিঞ্জপ্তি জারি করেছে সব জ্বরের রোগীকে মসারির মধ্যে রাখতে হবে। তাই রবিবার জ্বরে আক্রান্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলী ঘোষদোস্তিদার। পাশাপাশি তিনি প্রায় ১০০বেশি মসারি দিলেন বারাসাত হাসপাতাল বিতরণ করেন। সেই সঙ্গে চাকলা, বিশ্বনাথপুর, দেগঙ্গা, কোলশুর, শোয়াইসেতপুরের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েও মশারি বিতরন করেন। এই মসারি গুলি বিভিন্ন গরীব মানুষ কে দেওয়া হয়। সাংসদের এই ধরনের পদক্ষেপে খুশি এলাকার মানুষ। এদিন সাংসদ কাকলি দেবী জানান, প্রতি বছরে এই সময় নিজস্ব উদ্যোগে কোম্বল ও গরম পোষাক দরিদ্র মানুষকে দিয়ে থাকি। এবার যেহেতু মশা ববাহিত ভাইরাস ঘটিত জ্বরে বহু মানুষ আক্রান্ত সেকারনে এদিন প্রথম দফায় প্রায় ৫০০ মশারি ও কিছু কম্বল বিতরণ করলাম। পরে আরও মশারি বিতরণ করবো সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে।
No comments:
Post a Comment