২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রাপ্তি - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 30 December 2017

২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রাপ্তি

২০১৭ সালে বাংলাদেশের মানুষের প্রাপ্তি ও নতুন বছরের আকাঙ্ক্ষা

মাঝরাতে বিশ্ববাসী খ্রিস্টিয় নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে।এ বছর বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নের রাজনীতি আর বিরোধীদের গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলনকে ছাপিয়ে যেসব বিষয় জাতির সামনে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আলোচনায় ছিল সেগুলোর মধ্য অপহরণ, গুম, খুন আর বিচারবহির্ভুত হত্যার আতঙ্ক, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা, আর্থিক খাতে দুর্নীতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বাংলাদেশের উপর চেপে বসা রোহিঙ্গা সমস্যা। তবে যে বিষয়টি দেশবাসীকে একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেছে তা হচ্ছে আগামি বছরের জাতীয় নির্বাচন। 

এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)- এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছাতে হবে। কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না এমন একগুঁয়েমি থাকলে সংকট আরো জটিল আকার ধারণ করবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ওদিকে, এ বছরের আলোচিত জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আর একটি বিষয় হচ্ছে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এমনকি ভর্তি ও চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে।

এর সাথে সরকারি চাকুরে এবং সরকারি দলের ছাত্রনেতাদের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে গোয়েন্দা বিভাগ। এমনকি দুদকের তদন্তেও শিক্ষকদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, ‘সুকৌশলে শিক্ষামন্ত্রী নিজেদের লোকদের বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কেনাবেচার সুযোগ করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা চাকরির পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নফাঁস করে টাকা ইনকামের অভিনব কৌশল উদ্ভাবন করেছেন।

বছরের শেষ দিকে এসে নারী শিশু নির্যাতন বৃদ্ধির খবর দিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

আর্থিক দুর্নীতি প্রসঙ্গে টিআইবি বা সুজন-এর মতো সংগঠনের নেতারা নিয়মিত বক্তব্য দিলেও সরকার তা ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের একটি অংশ চুরি হবার দেড় বছর অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পরও তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছে না। জাতি জানতে পারছে না এতবড় ঘটনার পেছনে কারা ছিল। ব্যাংক লোপাটের নানা কাহিনী ফলাও করে প্রচার হলেও কাউকে সাজা দেবার খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার এবং সামাজিক মধ্যমে মিথ্যা খবর পরিবেশন করার অভিযোগ উঠেছে জোরেশোরে। গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সাইবার এথিকস অ্যান্ড ইয়ুথ এগেইনেস্ট সাইবার ক্রাইম’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু বলেছেন, অনলাইনে এখন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, “এটা পলিটিক্যালি অত্যন্ত ডেমেজিং ব্যাপার। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, যখন একটি রাজনৈতিক দল কিংবা সরকারি ইনস্টিটিউট ভুয়া নিউজের আশ্রয় গ্রহণ করে, তখন কিন্তু দেশের ইনস্টিটিউশনগুলো প্রশ্নবিদ্ধ হয়।”

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad