তৃণমূল হল লোভী দল। তৃণমূলের দুর্নীতির শেষ নেই। তারা রাতে নয় দিনে দুপুরে ডাকাতি করে। তৃণমূল গুন্ডাগিরি থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাহিনী নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে পড়েছে। তৃণমূলের জন্য পশ্চিমবঙ্গ ধর্ষণে এখন শিরোনামে। যেখানে বিহার এক নম্বরে ছিল। এমনই সব দাবী বাংলার জনপ্রিয় আই লভ ইউ অভিনেতা হীরু ওরফে জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরে ২৫০০০ সাধারণ মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বিজেপির তারকা মুখ তথা দাপুটে নেতা জয় ব্যানার্জী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ধর্ষণে এক নম্বর।তাই বাইরের সব অভিনন্দন জানায়। যেখানে বিহার ছিল টপে। তিনি বলেন, তৃণমূল এখন কে কত দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে তা নিজেরাও জানেন না। জয় বলেন, যখন দক্ষিণ দিনাজপুর বন্যায় ভেসে ছিল তখন তৃণমূল সরকার কলকাতায় ইলিশ মাছ খাচ্ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিলেও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে এমনভাবেই বিঁধেছেন জয়বাবু।
দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরামে জেলা সম্মেলন ও জন সভা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও জয় ব্যানার্জী। এদিনের জনসভায় তিন হাজার বিরোধী দলের কর্মী বিজেপিতে যোগ দেয় । এই সভা থেকে বিজেপি কর্মীদের উজ্জীবিত করতে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন জয় ব্যানার্জী । পতিরামে প্রকাশ্য সভায় উপস্থিত হাজার হাজার কর্মী সমর্থকদের সাহস যোগাতে গিয়ে আগুন খাওয়া বক্তব্য রাখেন অভিনেতা জয় বন্দোপাধ্যায়। সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মী সমর্থকের উপর তৃণমূলের গুন্ডারা অথবা পুলিশ অত্যাচার চালালে রীতিমত তাদের বাড়িতে ঢুকে পাল্টা হামলা অত্যাচার চালানোর হুমকি তিনি দিয়েছেন। জয় বন্দোপাধ্যায় এদিন তাঁর বক্তব্যে বলেন যে তিনি যেমন সহজ সরল তেমনই কঠিনও। পতিরামের এই সভা থেকে ফিরে যাওয়ার পথে কারো উপর তৃণমূল অথবা পুলিশের তরফে হামলা হলে বাড়িতে ঢুকে তাদের হাত ভেঙে নিয়ে চলে যাবেন তিনি।
মুকুল প্রসঙ্গে জয় বলেন, মুকুল হল তৃণমূলের জন্মদাতা। তৃণমূলের নাভি ছিল মুকুল রায় এমনটাই দাবী জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, মুকুল রায় প্রথম থেকে তৃণমূলের সঙ্গে ছিল ফলে তৃণমূলের খারাপ ভালো সব জানে। তাই তাঁকে তৃণমূল আজ ভয় পাচ্ছে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়ে বলেন, রাজ্য জুড়ে ধর্ষণ হচ্ছে তাতে মুখ্যমন্ত্রী কালো পতাকা, আন্দোলন, প্রতিবাদ করছেন না, ধর্ণায় বসছেন না। আজও একটি মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে মেয়েটি লজ্জায় গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। কই এই বিষয়ে তো মুখ্যমন্ত্রীর উচ্চ বাচ্য নেই?প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে। তবে রাজস্থানে মুসলিম মারা গেছেন বলে সেখানে দলবল নিয়ে হাজির হয়েছেন তিনি। এখানেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ধর্ম নিয়ে কি শুরু করছেন! হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে ঝামেলা মুখ্যমন্ত্রী যে বাঁধাতে চাইছেন তা বুঝতে দ্বিধা নেই জয়ের কথায়। পাশাপাশি জয় বলেন, আমাদের বিজেপিতে দলবাজী, সন্ত্রাসবাজীর কোনো ঠাঁই নেই, কোনো দুর্নীতির জায়গা নেই। কেউ দুর্নীতি করলে তাঁকে বা তাদের পিছনে লাথি মেরে তাড়িয়ে দেওয়া হবে দল থেকে। জয় বলেন,গেরুয়া রঙে অর্থাৎ বিজেপিতে কোনো দাগ নেই পরিষ্কার বললেন বিজেপি তারকা নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, লালে তো দাগ ছিলই, সবুজ তো কলঙ্ক করে দিল রাজ্য টাকে তবে গেরুয়াতে কোনো দাগ পাওয়া যাবে না ভবিষ্যতে। তাঁর গ্যারান্টি জয় বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গেরুয়া হল ত্যাগের প্রতীক। বিজেপি খালি ত্যাগ করতেই জানে, মানুষকে ভালোবাসতে জানে। যদি তৃণমূলের কাউকে বলা হয় আপনি ৫ লক্ষ টাকা নেবেন, নাকি ৫জন গরীবের চাকরি করিয়ে দেবেন? তখন সেই তৃণমূল নেতা বলবেন না আমি ৫ লক্ষ টাকাই নেবো। আর যদি বিজেপিকে বলা হয় তাহলে তারা ৫জন গরীবকেই চাকরি দেবেন। এই হল বিজেপি।

No comments:
Post a Comment