লাভ জিহাদ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুষলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। গুজরাটে ভোটে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।বাংলার ভোটে ৯০ শতাংশ ভোট পড়ে।এই প্রশঙ্গে বলেন,পশ্চিমবাংলায় একটা রাজনৈতিক সচেতনতা বরাবর আছে।ব্রিটিশ আমল থেকে আমরা রাজনৈতিক লড়াই লড়ছি।বাংলায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ে।বাংলার মানুষ রাজনৈতিক সচেতন।অন্যান্য রাজ্যে কম ভোট পড়ে। যেখানে ভোট কম পড়ে সেখানে ক্ষমতাশীল পাটি জিতে।গুজরাতে আমরাই জিতবো।
পশ্চিমবাংলায় সংখ্যাললঘুরা দুরাবস্থা। রাজ্যে যেকোনো খুন হয় বা খুন করে সবটাই করে সংখ্যালঘুরা।কেন ক্রিমিনাল হয়।মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন দিলীপ ঘোষ।
পশ্চিমবাংলার একজন শ্রমিক রাজস্থানে কাজ করতে গিয়ে মারা গেছেন।তাকে কেউ হত্যা করেছে।যেকোনো হত্যা দুঃখ জনক।সেই হত্যা নিয়ে পশ্চিমবাংলায় রাজনিতি হচ্ছে।মনে হচ্ছে পশ্চিমবাংলায় কোন খুন হয়না। এখানে তৃণমূলের চেয়ারম্যান কে খুন করা হচ্ছে।।প্রতিদিন কোথাও না কোথাও খুন হচ্ছে।সাম্প্রদায়িক হিংসার বলি কত মানুষ খুন হচ্ছে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।কেউ দেখতে যায়নি তাদের বাড়িতে তৃণমূল বা কংগ্রেসের লোকেরা।যেহেতু তিনি একজন সংখ্যালঘু মানুষ তাকে নিয়ে আদিক্ষেতার রাজনিতি চুড়ান্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, হিন্দু ধর্ম ও মুসলমান ধর্ম নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবী, বিজেপি ধর্মবিদ্বষী নয়, বিজেপি বরং হিন্দু ও মুসলমানদের একসারিতে রাখে। তা নাহলে গুজরাতে বিজেপিরাজ হত না, সেখানে কংগ্রেসরাজ হত। গুজরাতের মানুষ জানে কংগ্রেস কি করেছিল সংখ্যালঘুদের সাথে। তারা সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে তাড়াতে চেয়েছিল কিন্ত মোদীজি তা চায় নি।আর তা গুজরাতের মানুষ জেনেই ভোট দিয়েছে মোদী সরকারকে। ঠিক একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষও ভোট দেবে বিজেপিতে। ২০১৮ সালে বিজেপি জিতবে কারণ সাধারণ মানুষ জানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভরা পেটে রোজা, ইফতার করেন। যা সংখ্যালঘু ধর্মের জন্য অন্যায়।তাই তারা পরিষ্কার আর দিদি তাদের সাথে থাকবেন না। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও থাকবে না। জয় গঙ্গাসাগরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এই বছর গঙ্গাসাগরে স্নান করতে গিয়ে ২২জন পুর্ন্যাথী মারা যান। যার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে বললেও এমনটাই স্পষ্ট তাঁর কথায়।

No comments:
Post a Comment