জয়নগরের মোয়ার শিল্পীদের এবার শিল্প ক্ষতির দিকে। কারণ নকল গুড় ও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে আর জেরেই ক্ষতির মুখে জয়নগরের বহড়ুর মোয়া ব্যাবসায়িরা । নভেম্বারের শুরুতে খেজুর গাছ কাটে শিউলিরা ,তিন দিন মুড়নোর পর তারপর খেজুর গাছে কঞ্চির নলের মাধ্যমে হাড়ী পেতে রস সংগ্রহ করা হয় ,সেই রস জাল দিয়ে তৈরি হয় জিরান কাটের গুড় ,যা সুস্বাদু । অনেক পরিশ্রমের পর শিউলিরা এই খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে ,বর্তমানে শিউলিরা ভালো পারিস্রামিক না পাওয়ায় আর খেজুর গাছের অভাবে গাছ কাটতে পারছে না ,আর তাদের ছেলেরা এই পেশায় আর আসতে চাইছে না ফলে রস সংগ্রহ হচ্ছে না আর গুড় পাওয়া যাচ্ছে না , শিউলির সংখ্যা আর খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় ভালো মোয়াও বাজারে আসছে না , আর এর সাথে আছে জি এস টীর প্রভাব কাঠের দাম ,গুড়ের মুল্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে ফলে মার খাচ্ছে গুড় ব্যাবসা আক্ষেপ এক শিউলির । বর্তমান বাজারে গুড় বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কিলো ,পাটালির দামও একই ভাবে রয়েছে বাজারে । বাজারের এই সম্যসা নিয়ে মোয়া ব্যাবসায়ি রঞ্জিত ঘোষ জানান ,মোয়া একটা কুটির শিল্প , খেজুর গাছ লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ,আর শিউলিরা এই পেশায় আসতে চাইছে না ফলে গুড়ের অভাবে মার খাচ্ছে শিল্প । খেজুর গাছ রোপণ করতে হবে ,শিউলিদের বার্ধক্য ভাতা দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে তবেই আবার ভালো গুড় তৈরি হবে ,নকল গুড়ে বাজারে আসবে না । নলেন গুড় না হলে মোয়া হবে না ,এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে দেখতে হবে ।
জয়নগরের মোয়ার শিল্পীদের এবার শিল্প ক্ষতির দিকে। কারণ নকল গুড় ও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে আর জেরেই ক্ষতির মুখে জয়নগরের বহড়ুর মোয়া ব্যাবসায়িরা । নভেম্বারের শুরুতে খেজুর গাছ কাটে শিউলিরা ,তিন দিন মুড়নোর পর তারপর খেজুর গাছে কঞ্চির নলের মাধ্যমে হাড়ী পেতে রস সংগ্রহ করা হয় ,সেই রস জাল দিয়ে তৈরি হয় জিরান কাটের গুড় ,যা সুস্বাদু । অনেক পরিশ্রমের পর শিউলিরা এই খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে ,বর্তমানে শিউলিরা ভালো পারিস্রামিক না পাওয়ায় আর খেজুর গাছের অভাবে গাছ কাটতে পারছে না ,আর তাদের ছেলেরা এই পেশায় আর আসতে চাইছে না ফলে রস সংগ্রহ হচ্ছে না আর গুড় পাওয়া যাচ্ছে না , শিউলির সংখ্যা আর খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় ভালো মোয়াও বাজারে আসছে না , আর এর সাথে আছে জি এস টীর প্রভাব কাঠের দাম ,গুড়ের মুল্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে ফলে মার খাচ্ছে গুড় ব্যাবসা আক্ষেপ এক শিউলির । বর্তমান বাজারে গুড় বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কিলো ,পাটালির দামও একই ভাবে রয়েছে বাজারে । বাজারের এই সম্যসা নিয়ে মোয়া ব্যাবসায়ি রঞ্জিত ঘোষ জানান ,মোয়া একটা কুটির শিল্প , খেজুর গাছ লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ,আর শিউলিরা এই পেশায় আসতে চাইছে না ফলে গুড়ের অভাবে মার খাচ্ছে শিল্প । খেজুর গাছ রোপণ করতে হবে ,শিউলিদের বার্ধক্য ভাতা দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে তবেই আবার ভালো গুড় তৈরি হবে ,নকল গুড়ে বাজারে আসবে না । নলেন গুড় না হলে মোয়া হবে না ,এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে দেখতে হবে ।

No comments:
Post a Comment