গৌরব দেবনাথ, হাবড়াঃ উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া বানিপুর মধ্য হাড়িয়ার বাসিন্দা কমল কৃষ্ণ দাস। বানিপুর জনতা কলেজের গ্রুপ ডি কর্মী। দেনার দায়ে তাকে বাধ্য হয়েই বাড়ি বিক্রি করতে হয়ছিল। সেই মত কিছু টাকা নগদে তার হাতে দেয় এবং দুই লক্ষ টাকা তাকে চেকে পেমেন্ট করে। কমলবাবু তার হাবড়া স্টেট ব্যাঙ্কে চেকটি জমা করেন।
ঘটনার সুত্রপাত গত মাসের ৩০ তারিখ মাসের মায়না ডুকেছে কিনা বানিপুর স্টেট ব্যাঙ্কে মায়না চেক করতে গিয়ে এটিএমে থাকা এক যুবকের সাহায্য চায় ওই ব্যক্তি যে মায়না ঢুকেছে কিনা দেখাবার জন্য। ওই ব্যক্তি জানায় তার ব্যাঙ্কে কোন টাকা ডোকেনি মাত্র তিনশো টাকা আছে ,,ওই ব্যক্তি কার্ড দিয়ে দিলে বাড়িতে চলে এসে এটিএম কার্ড রেখে দেয়। তারপরে চলতি মাসে পনেরো তারিখ দুই লক্ষ টাকার চেকটি ব্যাঙ্কে ফেলে এক দিন বাদেই সন্ধ্যা বেলা তার ফোনে মেসেজ আসে হাবড়ার একটি এটিএম থেকে চল্লিশ হাজার টাকা তোলা হয়েছে। পরের দিন সাথে সাথে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সাথে দেখা করলে তিনি জানান এখনো তার চেকটি ক্লিয়ার হয়নি। সেদিন ফের একটি সোনার দোকান এবং একটি ইলেকট্রনিক্স দোকান এবং একটি জামাকাপড়ের দোকান থেকে কেনাকাটা করা হয় বলে ফোনে মেসেজ আসে । ফের পরের দিন মঙ্গলবার ব্যাঙ্কে গেলে ম্যানেজার জানায় কয়েক ক্ষেপে তার একাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছে। তারপরেই মঙ্গলবার হাবড়া থানার পুলিশের কাছে দ্বারস্থ হন তিনি। পরে লক্ষ করেন তার এটিএম কার্ডের জাগায় অন্য কার্ড দিয়েছিল ওই ব্যক্তি ,,সমস্ত ঘটনা লিখিত ভাবে জানায় হাবড়া থানায়,, ঘটনার তদন্তে হাবড়া থানা। এই ঘটনায় চরম বিপদে পরেছেন এই সরকারী কর্মী।

No comments:
Post a Comment