আওয়ামী লিগের সাধারন সম্পাদক বলেন ‘ভারত সরকারের আমন্ত্রণে নয়, মহান বিজয় দিবসর সমাপনী দিবসে তিনি এখানে এসেছেন। যদিও বিজেপির অন্যতম সাধারন সম্পাদক রাম মাধমের আমস্ত্রণে আগামী মধ্য ফেব্রুয়ারিতে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লিগের বিশ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল দিল্লিতে আসবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন প্রধানত দুই দলের মধ্যে সম্পর্ক ও নেতৃত্বপ্রদানের বিষয়টি কিভাবে আরও সুদৃঢ়, শক্তিশালী করা যায় তা নিয়েই আলোচনা হবে। লক্ষ্য পার্টি টু পার্টি সম্পর্ক আরও কিভাবে সুদৃঢ় করা যায়।
১৯৭১সালে ভার-বাংলাদেশের যে বন্ধুেত্বও শুরু হয়েছিল, মাঝখানে কিছু কিছু টানাপোড়েন হযেছে, সংশয় ছিল, অবিশ্বাস ছিল। বর্তমান সময়ে বন্ধুত্বেও চমতকার পর্যায়ে এসেছি। গঠনমূলক অংশীদার খুব ভাল জায়গায় আছে। উত্তরোত্তর এই সম্পর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬৮ বছরের যে পুরনো সীমান্ত বিরোধ ছিল সেটা নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পর মিটে যায়। আমি মনে করি ভারত বাংলাদেশের মধ্যে যে অবিশ্বাস ও সন্দেহের দেওয়াল ছিল সেটা ছিটমহল বিনিময়ের মধ্যে দিয়ে অবিশ্বাসের দেওয়ালটা ভেঙে পড়েচে। আমাদের সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা দুইজনেই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমরা আশা করছি এই সম্পর্কের আরও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
পদ্মা সেতু নিয়ে তিনি বলেন এটা একটি মেগা প্রজেক্ট। বিশ্বব্যাঙ্ক আমাদের অপবাদ দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে কিন্তু শেখ হাসিনার ৩০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়নে এই প্রকল্পের কাজ হচ্ছে। একমাত্র ভারত সরকারের সামান্য হলেও এই প্রকল্পে অবদান রয়েছে।
আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা চুক্তিরও বাস্তবায়ন হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকালে যে আশ্বাস দিয়েছেন আমরা তার দিকে তাকিয়ে আছি। বাংলাদেশের মানুষও তার আশ্বাসে আশস্ত হয়েছে। আমরা মনে করি সবকিছুই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। তিনি বলে আমাদের উত্তরবঙ্গের মানুষ জল কষ্টে আছে। শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছিল যে তিস্তা ফেনী সহ অভিন্ন নদী চুক্তি হবে। আমরা চাই বাস্তবসম্মত, ন্যায়সম্মত চুক্তি বাস্তবায়ন হোক।
মমতা বনানার্জিকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি,। ভারতের সঙ্গে আমাদেও আত্মার বন্ধন। আশা করছি পজেটিভ রেসপন্স প্রত্যাশা । পাশে বসা পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যঅয়কে উদ্দেশ্যে তিনি বলেন তাঁর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী তিস্তা বিষয়ে অবগত করার জন্য। মধ্য ফেব্রুয়ারীতে ভারত সফরকালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এব্যাপারে সাক্ষাত করবেন বলেও জানান তিনি।
শেখ হাসিনার আমলেই বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু বান্ধব সরকার বলেও অভিহীত করে তিনি বলে রংপুর, নাসিরনগরের মতো বিচ্ছিন্ন ঘটনা রযেছে। সামনে নির্বাচন, সময়টা সংবেদনশীল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার পরিকল্পনা চলবে। আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বলেছি আপনারা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক, সচেতন হোন আক্রণ করলে পাল্টা আক্রমণ করুন। আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে এটা তার প্রথম বিদেশ সফর আর এই সফরে বাংলা বলতে পেরে ভাল লাগছে।
আদালতের বষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। বেগম জিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের াভিযোগের ভিত্তিতে যে বিচারকার্য চরছৈ এগুলি তত্তাবধায়ক সরকারের আমলে মইদুদ্দিন তখনই এই মামলাগুলি রুজু করেছিল। বেগম জিয়া বারবার সময় নিয়েছন , ১৫০ বার সময় চেয়েছেন সাড়ে ৮ মাসের বেশি সম/য বিলম্বিত করেছেন। বিচারবিভাগ সম্য়র্ণ স্বাধীন, আওয়ামী লিগের বিপক্ষে যা/য তখন স্বাধীন। সরকার কোন হস্তক্ষেপ করেছি, এই রায় সরকার দেযনি, আদা/রত দিয়েচে।
জঙ্গিবাদ ও সন্তাসবাদ অফশক্তি কর্মকান্ডর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারত বরও মন্তব্য করেছেন সেতু মন্ত্রী।
কলকাতাস্থি বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে মহান বিজয় গিবসের সকাপনী দিবসে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদেও একথা জানান তিনি।
এদিনের সমাপনীি দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের নারী ও শিশু কল্যান মন্ত্রী মেহের আফরোজ চুতমকি। পশ্চিমবঙ্গেও পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান,
১৯৭১সালে ভার-বাংলাদেশের যে বন্ধুেত্বও শুরু হয়েছিল, মাঝখানে কিছু কিছু টানাপোড়েন হযেছে, সংশয় ছিল, অবিশ্বাস ছিল। বর্তমান সময়ে বন্ধুত্বেও চমতকার পর্যায়ে এসেছি। গঠনমূলক অংশীদার খুব ভাল জায়গায় আছে। উত্তরোত্তর এই সম্পর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬৮ বছরের যে পুরনো সীমান্ত বিরোধ ছিল সেটা নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পর মিটে যায়। আমি মনে করি ভারত বাংলাদেশের মধ্যে যে অবিশ্বাস ও সন্দেহের দেওয়াল ছিল সেটা ছিটমহল বিনিময়ের মধ্যে দিয়ে অবিশ্বাসের দেওয়ালটা ভেঙে পড়েচে। আমাদের সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা দুইজনেই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমরা আশা করছি এই সম্পর্কের আরও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
পদ্মা সেতু নিয়ে তিনি বলেন এটা একটি মেগা প্রজেক্ট। বিশ্বব্যাঙ্ক আমাদের অপবাদ দিয়ে সরিয়ে দিয়েছে কিন্তু শেখ হাসিনার ৩০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়নে এই প্রকল্পের কাজ হচ্ছে। একমাত্র ভারত সরকারের সামান্য হলেও এই প্রকল্পে অবদান রয়েছে।
আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা চুক্তিরও বাস্তবায়ন হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকালে যে আশ্বাস দিয়েছেন আমরা তার দিকে তাকিয়ে আছি। বাংলাদেশের মানুষও তার আশ্বাসে আশস্ত হয়েছে। আমরা মনে করি সবকিছুই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। তিনি বলে আমাদের উত্তরবঙ্গের মানুষ জল কষ্টে আছে। শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছিল যে তিস্তা ফেনী সহ অভিন্ন নদী চুক্তি হবে। আমরা চাই বাস্তবসম্মত, ন্যায়সম্মত চুক্তি বাস্তবায়ন হোক।
মমতা বনানার্জিকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখি,। ভারতের সঙ্গে আমাদেও আত্মার বন্ধন। আশা করছি পজেটিভ রেসপন্স প্রত্যাশা । পাশে বসা পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যঅয়কে উদ্দেশ্যে তিনি বলেন তাঁর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী তিস্তা বিষয়ে অবগত করার জন্য। মধ্য ফেব্রুয়ারীতে ভারত সফরকালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এব্যাপারে সাক্ষাত করবেন বলেও জানান তিনি।
শেখ হাসিনার আমলেই বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু বান্ধব সরকার বলেও অভিহীত করে তিনি বলে রংপুর, নাসিরনগরের মতো বিচ্ছিন্ন ঘটনা রযেছে। সামনে নির্বাচন, সময়টা সংবেদনশীল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার পরিকল্পনা চলবে। আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বলেছি আপনারা প্রথম শ্রেণীর নাগরিক, সচেতন হোন আক্রণ করলে পাল্টা আক্রমণ করুন। আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে এটা তার প্রথম বিদেশ সফর আর এই সফরে বাংলা বলতে পেরে ভাল লাগছে।
আদালতের বষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। বেগম জিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের াভিযোগের ভিত্তিতে যে বিচারকার্য চরছৈ এগুলি তত্তাবধায়ক সরকারের আমলে মইদুদ্দিন তখনই এই মামলাগুলি রুজু করেছিল। বেগম জিয়া বারবার সময় নিয়েছন , ১৫০ বার সময় চেয়েছেন সাড়ে ৮ মাসের বেশি সম/য বিলম্বিত করেছেন। বিচারবিভাগ সম্য়র্ণ স্বাধীন, আওয়ামী লিগের বিপক্ষে যা/য তখন স্বাধীন। সরকার কোন হস্তক্ষেপ করেছি, এই রায় সরকার দেযনি, আদা/রত দিয়েচে।
জঙ্গিবাদ ও সন্তাসবাদ অফশক্তি কর্মকান্ডর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারত বরও মন্তব্য করেছেন সেতু মন্ত্রী।
কলকাতাস্থি বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে মহান বিজয় গিবসের সকাপনী দিবসে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদেও একথা জানান তিনি।
এদিনের সমাপনীি দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের নারী ও শিশু কল্যান মন্ত্রী মেহের আফরোজ চুতমকি। পশ্চিমবঙ্গেও পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান,

No comments:
Post a Comment