প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন।অনুষ্ঠানে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মানেবেন্দ্র রায় ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বেকার যুবক-যুবতীদের যাতে ঋণের জন্য ছোটাছুটি করতে না হয়, নিজের শহর বা গ্রাম ছেড়ে সংসার প্রতিপালনের জন্য অন্য রাজ্যে বা বিদেশে পারি দিতে না হয়, তার জন্য নরেন্দ্র মোদী সরকার চালু করেছে মুদ্রা যোজনা। ছোটো ব্যবসা, ঘরে শিল্প গড়ে তোলার জন্য লোনের সুযোগ মিলবে। এই ঋণ প্রকল্পকে মোট তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে -- শিশু, কিশোর ও তরুণ। মুদ্রা যোজনা’-য় ৫০ হাজার থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। সবচেয়ে বড় কথা, এই ঋণের জন্য কোনও রকম বন্ধক রাখার দরকার নেই। যাঁরা সদ্য ব্যবসা শুরু করেছেন বা করছেন, তাঁরা ‘শিশু’। ঋণ পাবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। পাঁচ বছরের মধ্যে এই ঋণ শোধ করলেই হয়ে ওঠা যাবে ‘কিশোর’। ‘কিশোর ঋণ’ পেতে পারেন ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। সেটা শোধ করে দিলেই ‘তরুণ ঋণ’। পাওয়া যাবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত।
এই ঋণের জন্য নেবে মাসিক ১ শতাংশ হারে সুদ। অর্থাৎ বছরে ১২ শতাংশ সুদ। ঋণের জন্য কোনও প্রসেসিং ফি লাগে না। দেশের কয়েক কোটি মানুষ এই ঋণ পেয়েছেন। কীভাবে ঋণের জন্য আবেদন করা যাবে, কোন কোন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কিভাবে মিলবে ঋণ সেই সম্পর্কে বিস্তারিত প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিলেন বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কল্যাণ চক্রবর্তী। শিবির অনুষ্ঠিত হল চাকদার নীলমণি নিলয় সভাকক্ষে। প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ জেলার নানান অঞ্চল থেকে হাজির হন এই প্রশিক্ষণ শিবিরে। মূল বক্তব্য রাখেন সমাজসেবী ও রাজ্য-কেন্দ্র প্রকল্প সমন্বয়ক শ্রী রণজিৎ মজুমদার। তিনি মুদ্রা যোজনার নানান খুঁটিনাটি বিষয় তুলে ধরেন ও উপস্থিত আগ্রহী ব্যক্তিদের নানান প্রশ্নের উত্তর দেন। সমাজসেবী ও শিক্ষক শ্রী জগন্নাথ সরকার নদীয়া জেলার মানুষকে সার্বিকভাবে প্রকল্পে সামিল হতে আহ্বান করেন ও তার জন্য ড. কল্যাণ চক্রবর্তীর সহায়তা চান।
অধ্যাপক চক্রবর্তী মোদী সরকারের নানান জনহিতকর প্রকল্পগুলি তুলে ধরে তার সুযোগ গ্রহণ করতে ও অন্যদের কাছে তা পৌঁছে দিতে আহ্বান জানান। প্রকল্পের সুবিধা পাবার ক্ষেত্রে কোথায় অসুবিধা হচ্ছে এবং কিভাবে তার সমাধান সম্ভব তার দিশা দেন। নানান প্রকল্পের তথ্য সহযোগে তৈরি পোষ্টার প্রদর্শনীরও আয়োজন করেন অধ্যাপক চক্রবর্তী। মোদীর গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির নির্যাসমিশ্রিত লিফলেট বিলি করা হয়।অনুষ্ঠানে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মানেবেন্দ্র রায় ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



No comments:
Post a Comment