নিজস্ব প্রতিনিধি,কালনা: জামিন পাওয়া সত্বেও দু'সপ্তাহ বাধ্য হয়ে সংশোধনাগারে থাকা এক বিচারাধীন বন্দির মৃত্যুকে ঘিরে বুধবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় কালনায় | মৃত বন্দির নাম আনন্দ বারুই। বয়স ৫৫। অভিযোগ জেল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির কারনেই তাঁকে প্রাণ দিতে হল | জেল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ সম্পুর্ন উড়িয়ে দেয় | কালনা থানার নান্দাইয়ের আশ্রমপাড়ার বাসিন্দা ও তার পুত্র রতন বারুই চলতি মাসের ৪ তারিখে গ্রেপ্তার হয় প্রতিবেশীর সাথে এক কলহের ঘটনায় | আনন্দ বারুই ও তাঁর ছেলের সাথে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া তাঁর পরিবারের আরো চারজন সদস্যকে | পরের দিন অর্থাৎ ৫ই ডিসেম্বর বর্ধমান আদালত থেকে আনন্দ বারুইয়ের পরিবারের ছয় জনেরই জামিন মনজুর হয় | কিন্তু এই দিন থেকেই কালনা আদালতের আইনজীবীরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করে | ফলে আনন্দ বারুই ও তাঁর ছেলে রতনের জন্য কোন জামিনদার না পাওয়ার কারনে তাদের কালনা সংশোধনাগারেই থাকতে হয় | মৃতের বড় ছেলে গৌরাঙ্গ বারুই জানান, মঙ্গলবার রাত্রি একটা নাগাদ পুলিশ খবর দেয় তার বাবা মারা গেছে | মৃতদেহ কালনা মহকুমা হাসপাতালে আছে | আমার বাবার বুকে ব্যাথা থাকায় বাড়িতে তাঁর চিকিৎসা চলছিল | কিন্তু জেলে যাওয়ার পর আর কোন চিকিৎসা হয়নি | চিকিৎসা করানোর ব্যাপারে আমাদের কোন আবেদনে জেল কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত না করায় বাবার মৃত্যু হল | এই অভিযোগ কালনা সংশোধনাগারের জেলার বিপ্লব মজুমদার উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ওনার প্রয়োজন মত ব্যবস্থা নিয়েছি | মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আনন্দ বারুই অসুস্থ্য হয়ে পড়েন | রাত্রি ৯টা ৫ নাগাদ ওনাকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় | ৯-৫৫ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় চিকিৎসারত অবস্থায় | বুধবার দুই ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কালনা মহকুমা হাসপাতালেই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় | হাসপাতালে মৃত্যুর পর কেন ময়নাতদন্ত করতে হল? রহস্যের দানা বাঁধছে এই ঘটনা নিয়ে। তদন্তে পুলিশ।
নিজস্ব প্রতিনিধি,কালনা: জামিন পাওয়া সত্বেও দু'সপ্তাহ বাধ্য হয়ে সংশোধনাগারে থাকা এক বিচারাধীন বন্দির মৃত্যুকে ঘিরে বুধবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় কালনায় | মৃত বন্দির নাম আনন্দ বারুই। বয়স ৫৫। অভিযোগ জেল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির কারনেই তাঁকে প্রাণ দিতে হল | জেল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ সম্পুর্ন উড়িয়ে দেয় | কালনা থানার নান্দাইয়ের আশ্রমপাড়ার বাসিন্দা ও তার পুত্র রতন বারুই চলতি মাসের ৪ তারিখে গ্রেপ্তার হয় প্রতিবেশীর সাথে এক কলহের ঘটনায় | আনন্দ বারুই ও তাঁর ছেলের সাথে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া তাঁর পরিবারের আরো চারজন সদস্যকে | পরের দিন অর্থাৎ ৫ই ডিসেম্বর বর্ধমান আদালত থেকে আনন্দ বারুইয়ের পরিবারের ছয় জনেরই জামিন মনজুর হয় | কিন্তু এই দিন থেকেই কালনা আদালতের আইনজীবীরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করে | ফলে আনন্দ বারুই ও তাঁর ছেলে রতনের জন্য কোন জামিনদার না পাওয়ার কারনে তাদের কালনা সংশোধনাগারেই থাকতে হয় | মৃতের বড় ছেলে গৌরাঙ্গ বারুই জানান, মঙ্গলবার রাত্রি একটা নাগাদ পুলিশ খবর দেয় তার বাবা মারা গেছে | মৃতদেহ কালনা মহকুমা হাসপাতালে আছে | আমার বাবার বুকে ব্যাথা থাকায় বাড়িতে তাঁর চিকিৎসা চলছিল | কিন্তু জেলে যাওয়ার পর আর কোন চিকিৎসা হয়নি | চিকিৎসা করানোর ব্যাপারে আমাদের কোন আবেদনে জেল কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত না করায় বাবার মৃত্যু হল | এই অভিযোগ কালনা সংশোধনাগারের জেলার বিপ্লব মজুমদার উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ওনার প্রয়োজন মত ব্যবস্থা নিয়েছি | মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আনন্দ বারুই অসুস্থ্য হয়ে পড়েন | রাত্রি ৯টা ৫ নাগাদ ওনাকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় | ৯-৫৫ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় চিকিৎসারত অবস্থায় | বুধবার দুই ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কালনা মহকুমা হাসপাতালেই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় | হাসপাতালে মৃত্যুর পর কেন ময়নাতদন্ত করতে হল? রহস্যের দানা বাঁধছে এই ঘটনা নিয়ে। তদন্তে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment