মামা হল কংসমামা। কথাতে আছে মা মা যোগ করে হয় 'মামা' যা দুইজন মায়ের সমান। আর সেই ভাগ্নিকেই টাকার বিনিময় একতরফা বিক্রি করে দিল মামা। এদিকে ভাগ্নি নাবালিকা ফলে লুকিয়েই দিতে হবে বিয়েটা! এমনই মতলব এঁটে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিয়ে দিল কংস মামা। যদিও শেষরক্ষে আর হল না। পুলিশ এসে ভেসতে দিল সমস্ত ছক। বাঞ্চাল হয়ে গেলো স্বপ্নের টাকা।
জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার সোনাদীপা গ্রামের ১৭ বছরের এক নাবালিকাকে মাস খানেক আগে উত্তরপ্রদেশে নিজের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন নাবালিকার মাসি । অভিযোগ, এরপর বারবার নাবালিকার সঙ্গে তাঁর পরিবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মাসি নাবালিকার সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিচ্ছিলেন না । পরিস্থিতি গোলমাল সন্দেহ করে নাবালিকার পরিবার সোনামুখীর থানার দ্বারস্থ হয় । পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে সোনামুখী থানার পুলিশ হানা দেয় উত্তরপ্রদেশে । উত্তরপ্রদেশের বদায়ু জেলার শোভায়নপুর গ্রাম থেকে সোমবার রাতে নাবালিকাকে উদ্ধার করে বাঁকুড়ায় নিয়ে আসা হয় । তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে মাসি ওই নাবালিকাকে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে গিয়ে নাবালিকার ইচ্ছের বিরুদ্ধে মোট ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্থানীয় একজন যুবকের সঙ্গে নাবালিকার বিয়ে দিয়ে দেয় । এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত মাসি ও নাবালিকার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে সোনামুখী থানার পুলিশ । পুলিশ সুত্রে জানানো হয়েছে নাবালিকা এখন পড়াশোনা করতে চায় । তাই তাকে সব ধরনের সরকারী সাহায্য করা হবে ।অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে ওই নাবালিকার পরিবার।
জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার সোনাদীপা গ্রামের ১৭ বছরের এক নাবালিকাকে মাস খানেক আগে উত্তরপ্রদেশে নিজের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন নাবালিকার মাসি । অভিযোগ, এরপর বারবার নাবালিকার সঙ্গে তাঁর পরিবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মাসি নাবালিকার সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিচ্ছিলেন না । পরিস্থিতি গোলমাল সন্দেহ করে নাবালিকার পরিবার সোনামুখীর থানার দ্বারস্থ হয় । পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে সোনামুখী থানার পুলিশ হানা দেয় উত্তরপ্রদেশে । উত্তরপ্রদেশের বদায়ু জেলার শোভায়নপুর গ্রাম থেকে সোমবার রাতে নাবালিকাকে উদ্ধার করে বাঁকুড়ায় নিয়ে আসা হয় । তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে মাসি ওই নাবালিকাকে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে গিয়ে নাবালিকার ইচ্ছের বিরুদ্ধে মোট ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্থানীয় একজন যুবকের সঙ্গে নাবালিকার বিয়ে দিয়ে দেয় । এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত মাসি ও নাবালিকার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে সোনামুখী থানার পুলিশ । পুলিশ সুত্রে জানানো হয়েছে নাবালিকা এখন পড়াশোনা করতে চায় । তাই তাকে সব ধরনের সরকারী সাহায্য করা হবে ।অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে ওই নাবালিকার পরিবার।

No comments:
Post a Comment