সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে অবস্থিত পাট এবং তুলো রপ্তানী সংস্থার কোটি টাকা প্রতারণার কিনারা করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ। মঙ্গলবার বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাতে সংস্থার মালিক অনিল কারিওয়ালা অভিযোগ জানান তার সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সাড়ে ১ কোটি টাকা তার অজান্তে কেউ বা কারা অন্য অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছেন। সেই তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ জেরা করে সেক্টর ফাইভের ওই সংস্থার ফিন্যান্স ম্যানেজার অমিত লোহিয়া এবং অ্যাকাউন্টে সৈলেন্দ্র চৌব্যেকে। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ফলে পুলিশ জানতে পারে সংস্থার অর্থনৈতিক আদানপ্রদান সহ বিভিন্ন ধরনের অর্থ সংক্রান্ত লেনদেনের সাথে যুক্ত থাকত এরা। বেশ কিছুদিন ধরে বেশকিছু কর্মচারীর মাসিক বেতনের কাগজে কারচুপি করত অমিত এবং সেই বেতনে কারচুপির সাহায্যে লক্ষাধিক টাকা প্রতারনা করত এই ব্যক্তি। ঘটনাটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে সৈলেন্দ্র চৌব্যে জানতে পারলে তাকেও টাকার ভাগ দিত অমিত বলে পুলিশের জেরায় শিকার করে অভিযুক্তরা। সংস্থার মালিক অনিল কারিওয়ালার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত অমিত এবং সৈলেন্দ্রকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ব্যাঙ্কের নথি এবং যেই ব্যাঙ্ক একাউন্টে টাকা স্থানান্তরিত করা হত সেই একাউন্টটি বাজেয়াপ্ত করেছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। মঙ্গলবার অভিযুক্তদের বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে অবস্থিত পাট এবং তুলো রপ্তানী সংস্থার কোটি টাকা প্রতারণার কিনারা করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ। মঙ্গলবার বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাতে সংস্থার মালিক অনিল কারিওয়ালা অভিযোগ জানান তার সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সাড়ে ১ কোটি টাকা তার অজান্তে কেউ বা কারা অন্য অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছেন। সেই তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ জেরা করে সেক্টর ফাইভের ওই সংস্থার ফিন্যান্স ম্যানেজার অমিত লোহিয়া এবং অ্যাকাউন্টে সৈলেন্দ্র চৌব্যেকে। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ফলে পুলিশ জানতে পারে সংস্থার অর্থনৈতিক আদানপ্রদান সহ বিভিন্ন ধরনের অর্থ সংক্রান্ত লেনদেনের সাথে যুক্ত থাকত এরা। বেশ কিছুদিন ধরে বেশকিছু কর্মচারীর মাসিক বেতনের কাগজে কারচুপি করত অমিত এবং সেই বেতনে কারচুপির সাহায্যে লক্ষাধিক টাকা প্রতারনা করত এই ব্যক্তি। ঘটনাটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে সৈলেন্দ্র চৌব্যে জানতে পারলে তাকেও টাকার ভাগ দিত অমিত বলে পুলিশের জেরায় শিকার করে অভিযুক্তরা। সংস্থার মালিক অনিল কারিওয়ালার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত অমিত এবং সৈলেন্দ্রকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ব্যাঙ্কের নথি এবং যেই ব্যাঙ্ক একাউন্টে টাকা স্থানান্তরিত করা হত সেই একাউন্টটি বাজেয়াপ্ত করেছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। মঙ্গলবার অভিযুক্তদের বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

No comments:
Post a Comment