ঢাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব এই সরস্বতীপূজা। শাস্ত্রমতে প্রতিবছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবী সরস্বতীর বন্দনা করা হয়। আজ সোমবার সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সরস্বতীপূজা উদ্যাপন চলছে। বিদ্যার দেবী সরস্বতীকে দেখতে বা বন্দনা জানাতে অনেকেই ভিড় জমাচ্ছেন এখানে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ নিজস্ব ভাবনা অনুযায়ী মণ্ডপ সাজিয়েছে। ভক্তি-বন্দনার পাশাপাশি কোন বিভাগের মণ্ডপ বেশি সুন্দর, চলছে তারও বিশ্লেষণ। অর্থনীতি বিভাগের মণ্ডপের সামনে পুরোহিত মন্ত্র পড়ে চলছেন। তাঁর সঙ্গে গলা মেলাচ্ছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। বন্দনার বিষয়টি হিন্দু সম্প্রদায়ের হলেও উৎসবের অংশীদার সবাই। সেজেগুজে মণ্ডপ ঘুরে ঘুরে দেখছেন আর ছবি তোলা তুলছেন আগত দর্শনার্থীরা। সাফিনা রেহনুম মিরপুর থেকে বন্ধুদের নিয়ে এসেছেন। সাফিনা বলেন, ‘ছোটবেলাতে স্কুলে সরস্বতীপূজায় আমরাও অংশ নিতাম। জগন্নাথ হলের পুকুরে বরাবরের মতোই চারুকলার মণ্ডপটি সবার আগ্রহের কেন্দ্রে।
ভিড়ের মধ্যে ঠেলেঠুলে পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়েই দেবীর সঙ্গে ছবি তোলার হিড়িক। অন্যদিকে হলের মূল উপাসনালয়েও পূজা চলছে। মণ্ডপ ঘুরে সবাই এসেই ভিড় করছেন খাবারের দোকানগুলোতে। অনেকটা মেলার মতোই আয়োজন। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে জ্ঞানলোকে উদ্ভাসিত হয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ অসাম্প্রদায়িকতা, অজ্ঞানতার অন্ধকার, কূপমুণ্ডকতা আর অকল্যাণকর সকল বাধা পেরিয়ে একটি উন্নত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক ভাবে বলেছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে জ্ঞানলোকে উদ্ভাসিত হয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ অসাম্প্রদায়িকতা, অজ্ঞানতার অন্ধকার, কূপমুণ্ডকতা আর অকল্যাণকর সকল বাধা পেরিয়ে একটি উন্নত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে জ্ঞানার্জনে ব্রতী হয়ে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment